ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে বিধ্বস্ত হওয়ার ছয় বছর পরও পুনর্নির্মাণ হয়নি সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট। ফলে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো ও নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে ৬টি গ্রামের প্রায় ২৮ হাজার মানুষকে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতাপনগর ইউপি ভবন থেকে কুড়িকাহুনিয়া-গড়াইমহল খাল হয়ে কপোতাক্ষ নদের লঞ্চঘাট এবং সনাতনকাটি-নাকনা সংযোগ সড়ক মিলিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার পথ ২০২০ সালের আম্ফান ও ২০২১ সালের ইয়াসের জোয়ারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। খালের ওপর স্থানীয়দের তৈরি ৭০০ ফুটের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন শিশু, বৃদ্ধ, রোগী ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় রোগী পরিবহন ও জরুরি যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।
প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ বলেন, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ নিরসনে উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হয়েছে।
আশাশুনি উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অনিন্দ্যদেব সরকার জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়া গেলেই সড়ক, সেতু ও কালভার্ট পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে বিধ্বস্ত হওয়ার ছয় বছর পরও পুনর্নির্মাণ হয়নি সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট। ফলে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো ও নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে ৬টি গ্রামের প্রায় ২৮ হাজার মানুষকে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতাপনগর ইউপি ভবন থেকে কুড়িকাহুনিয়া-গড়াইমহল খাল হয়ে কপোতাক্ষ নদের লঞ্চঘাট এবং সনাতনকাটি-নাকনা সংযোগ সড়ক মিলিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার পথ ২০২০ সালের আম্ফান ও ২০২১ সালের ইয়াসের জোয়ারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। খালের ওপর স্থানীয়দের তৈরি ৭০০ ফুটের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন শিশু, বৃদ্ধ, রোগী ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় রোগী পরিবহন ও জরুরি যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।
প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ বলেন, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ নিরসনে উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হয়েছে।
আশাশুনি উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অনিন্দ্যদেব সরকার জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়া গেলেই সড়ক, সেতু ও কালভার্ট পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন