নওগাঁর বদলগাছীতে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার পুরোনো ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
একই রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মনিরুল ইসলাম সাজুকে আটক করা হয়েছে।
আটক দুই ছাত্রলীগ কর্মী হলেন–উপজেলার হঠাৎপাড়া এলাকার এমার হোসেনের ছেলে ইমরান হোসেন (২১) এবং জিধিরপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে আরিফ হোসেন (২৩)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে বদলগাছী থানার কাছেই ছোট যমুনা নদীর নতুন ব্রিজ এলাকায় ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী মশাল মিছিল বের করেন। পরে সেই মিছিলের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে পুরোনো ব্রিজ এলাকায় ইমরান ও আরিফকে দেখতে পেয়ে ঘিরে ফেলেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। সেখানে তাদের মারধর করার পর পুলিশে দেওয়া হয়।
মথুরাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. মুনসুর আলী দাবি করেন, ইমরান ও আরিফ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সমর্থনে নানা কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। শুক্রবারের মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় বিশৃঙ্খলা ও অগ্নিসংযোগের পরিকল্পনা ছিল তাদের। সেই কারণেই তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। তবে মারধরের অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ছাত্রদল নেতারা।
বদলগাছী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নজরুল ইসলাম জানান, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ইমরান ও আরিফকে থানায় সোপর্দ করেছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া পুলিশের পৃথক অভিযানে যুবলীগ নেতা সাজুকেও আটক করা হয়েছে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছীতে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার পুরোনো ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
একই রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মনিরুল ইসলাম সাজুকে আটক করা হয়েছে।
আটক দুই ছাত্রলীগ কর্মী হলেন–উপজেলার হঠাৎপাড়া এলাকার এমার হোসেনের ছেলে ইমরান হোসেন (২১) এবং জিধিরপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে আরিফ হোসেন (২৩)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে বদলগাছী থানার কাছেই ছোট যমুনা নদীর নতুন ব্রিজ এলাকায় ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী মশাল মিছিল বের করেন। পরে সেই মিছিলের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে পুরোনো ব্রিজ এলাকায় ইমরান ও আরিফকে দেখতে পেয়ে ঘিরে ফেলেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। সেখানে তাদের মারধর করার পর পুলিশে দেওয়া হয়।
মথুরাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. মুনসুর আলী দাবি করেন, ইমরান ও আরিফ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সমর্থনে নানা কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। শুক্রবারের মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় বিশৃঙ্খলা ও অগ্নিসংযোগের পরিকল্পনা ছিল তাদের। সেই কারণেই তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। তবে মারধরের অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ছাত্রদল নেতারা।
বদলগাছী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নজরুল ইসলাম জানান, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ইমরান ও আরিফকে থানায় সোপর্দ করেছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া পুলিশের পৃথক অভিযানে যুবলীগ নেতা সাজুকেও আটক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন