সংবাদ

অপ্রতিম হত্যা: চার আসামির দুই কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪২ পিএম

অপ্রতিম হত্যা: চার আসামির দুই কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ

কুমিল্লার কোটবাড়িতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া চার আসামির মধ্যে বয়সে ছোট দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

একই সঙ্গে মামলার সরাসরি জড়িত ও সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হওয়া অপর দুই আসামিকে কুমিল্লা কারাগারে রাখা হয়েছে।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
​পুলিশ সূত্র জানায়, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন: সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬), কামরুল হাসান (১৫) ও মো. সিয়াম (১৮)। র‌বিবার বিকেলে আসামিদের কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হলে সিয়াম ছাড়া অন্য তিন আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
​সার্বিক বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বলেন, "র‌বিবার রাতে আমরা চারজনকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছি। আদালত দুই কিশোর ফাহাদ ও কামরুলকে সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৮) কুমিল্লা কারাগারে থাকবে।"
​আসামিদের বর্তমান অবস্থান ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পর্কে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, "পুলিশ একটি হত্যা মামলায় র‌বিবার রাতে চার আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।"
​এর আগে, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান এবং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে তার বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা গ্রামের এক ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে পুলিশ প্রথমে তুহিনকে আটক করে এবং পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকী আসামিদের গ্রেফতার করে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


অপ্রতিম হত্যা: চার আসামির দুই কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার কোটবাড়িতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া চার আসামির মধ্যে বয়সে ছোট দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

একই সঙ্গে মামলার সরাসরি জড়িত ও সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হওয়া অপর দুই আসামিকে কুমিল্লা কারাগারে রাখা হয়েছে।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
​পুলিশ সূত্র জানায়, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন: সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬), কামরুল হাসান (১৫) ও মো. সিয়াম (১৮)। র‌বিবার বিকেলে আসামিদের কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হলে সিয়াম ছাড়া অন্য তিন আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
​সার্বিক বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বলেন, "র‌বিবার রাতে আমরা চারজনকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছি। আদালত দুই কিশোর ফাহাদ ও কামরুলকে সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৮) কুমিল্লা কারাগারে থাকবে।"
​আসামিদের বর্তমান অবস্থান ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পর্কে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, "পুলিশ একটি হত্যা মামলায় র‌বিবার রাতে চার আসামিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।"
​এর আগে, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান এবং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে তার বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা গ্রামের এক ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে পুলিশ প্রথমে তুহিনকে আটক করে এবং পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকী আসামিদের গ্রেফতার করে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত