যশোরের শার্শায় গভীর রাতে বসতঘরে ঢুকে এক নারীকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরে এ নিয়ে আয়োজিত সালিশ বৈঠকেও হামলা চালিয়ে ওই নারীসহ তিনজনকে পেটানো হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
১৫ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার মহিষাকুড়া (উত্তরপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী রেখা খাতুন (২৩)। এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে একই গ্রামের সজীব হোসেন (২৪), ইসমাইল হোসেন (৪৫), আক্তারুল (৪০) ও মোশারেফকে (৪৩)।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৫ সেপ্টেম্বর রাত দুইটার দিকে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন রেখা খাতুন। এ সময় অভিযুক্ত সজীব ভেন্টিলেটর দিয়ে ঘরে ঢুকে তার সঙ্গে অশ্লীল আচরণ ও মারধর করেন। নারীর চিৎকারে তার শ্বশুর এগিয়ে এলে সজীব পালিয়ে যান।
ঘটনার পর বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক বসে। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা উত্তেজিত হয়ে ওই নারীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। তাকেই বাঁচাতে এগিয়ে এলে রেখার চাচা রিপন হোসেন (৩৪) ও চাচাতো ভাই লিটন হোসেনকেও (৪০) কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা মামলা না করতে তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি নিয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে স্থানীয় আহমেদ আলীর বাড়িতে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেখানে কোনো মীমাংসা হয়নি।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) রমজানকে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের শার্শায় গভীর রাতে বসতঘরে ঢুকে এক নারীকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরে এ নিয়ে আয়োজিত সালিশ বৈঠকেও হামলা চালিয়ে ওই নারীসহ তিনজনকে পেটানো হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
১৫ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার মহিষাকুড়া (উত্তরপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী রেখা খাতুন (২৩)। এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে একই গ্রামের সজীব হোসেন (২৪), ইসমাইল হোসেন (৪৫), আক্তারুল (৪০) ও মোশারেফকে (৪৩)।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৫ সেপ্টেম্বর রাত দুইটার দিকে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন রেখা খাতুন। এ সময় অভিযুক্ত সজীব ভেন্টিলেটর দিয়ে ঘরে ঢুকে তার সঙ্গে অশ্লীল আচরণ ও মারধর করেন। নারীর চিৎকারে তার শ্বশুর এগিয়ে এলে সজীব পালিয়ে যান।
ঘটনার পর বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক বসে। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা উত্তেজিত হয়ে ওই নারীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। তাকেই বাঁচাতে এগিয়ে এলে রেখার চাচা রিপন হোসেন (৩৪) ও চাচাতো ভাই লিটন হোসেনকেও (৪০) কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা মামলা না করতে তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি নিয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে স্থানীয় আহমেদ আলীর বাড়িতে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেখানে কোনো মীমাংসা হয়নি।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) রমজানকে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন