তিন বিচারকের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর আদালতে সৃষ্টি হওয়া ১০ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটেছে। জেলা ও দায়রা জজের মধ্যস্থতায় বার ও বেঞ্চের মধ্যকার সমস্যার সমাধান হওয়ায় আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়মিত বিচারকাজে ফিরেছেন আইনজীবীরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে সব আদালতে পুনরায় বিচারিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর তিন বিচারকের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে তিনটি আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয় চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি। একই সঙ্গে মানববন্ধন, প্রতিবাদ মিছিল ও কালো ব্যাজ ধারণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। টানা ১০ দিন আদালত বর্জনের ফলে স্তব্ধ হয়ে পড়ে বিচারিক কার্যক্রম, যার খেসারত দিতে হয় সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের। পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে উঠলে আইনজীবী সমিতির নেতাদের অনুরোধে বিরোধ নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতা করেন চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার। তার উদ্যোগে বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক ভুল-বোঝাবুঝির অবসান ঘটলে আইনজীবীরা বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন স্বপন জানান, রোববার চাঁদপুরের সব আদালতে স্বাভাবিক পরিবেশে নিয়মিত শুনানি ও বিচারিক কাজ পরিচালিত হয়েছে।
দীর্ঘ ১০ দিন পর বার ও বেঞ্চের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে আদালতপাড়ায়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্বে ফেরা এবং আদালত সচল হওয়ায় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তিন বিচারকের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর আদালতে সৃষ্টি হওয়া ১০ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটেছে। জেলা ও দায়রা জজের মধ্যস্থতায় বার ও বেঞ্চের মধ্যকার সমস্যার সমাধান হওয়ায় আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়মিত বিচারকাজে ফিরেছেন আইনজীবীরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে সব আদালতে পুনরায় বিচারিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর তিন বিচারকের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে তিনটি আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয় চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি। একই সঙ্গে মানববন্ধন, প্রতিবাদ মিছিল ও কালো ব্যাজ ধারণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। টানা ১০ দিন আদালত বর্জনের ফলে স্তব্ধ হয়ে পড়ে বিচারিক কার্যক্রম, যার খেসারত দিতে হয় সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের। পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে উঠলে আইনজীবী সমিতির নেতাদের অনুরোধে বিরোধ নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতা করেন চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার। তার উদ্যোগে বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক ভুল-বোঝাবুঝির অবসান ঘটলে আইনজীবীরা বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন স্বপন জানান, রোববার চাঁদপুরের সব আদালতে স্বাভাবিক পরিবেশে নিয়মিত শুনানি ও বিচারিক কাজ পরিচালিত হয়েছে।
দীর্ঘ ১০ দিন পর বার ও বেঞ্চের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে আদালতপাড়ায়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্বে ফেরা এবং আদালত সচল হওয়ায় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে।

আপনার মতামত লিখুন