সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে অপহরণের প্রায় দুই মাস পার হতে চললেও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাবাসুম ইয়াসমিন সিম্মিকে (১৩) উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি মামলার আসামিরাও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিখোঁজ সিম্মি তাহিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী এবং উজান তাহিরপুর গ্রামের সাকিল পারভেজের মেয়ে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, স্কুলে যাওয়ার পথে সিম্মিকে প্রায়ই উত্যক্ত করত চিকসা গ্রামের বখাটে শেখ মহসীন এলিন পাশা। বিষয়টি নিয়ে স্বজনদের কাছে অভিযোগ জানালে কোনো সমাধান মেলেনি। গত ২৬ জুলাই সকালে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলে পথ থেকে সিম্মিকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় ২ আগস্ট সাকিল পারভেজ বাদী হয়ে এলিন পাশাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় মামলা করেন।
মেয়েকে ফিরে পেতে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব ও ডিবিসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী বাবা। তাহিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম জুবায়ের বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীকে দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, ভুক্তভোগী ও আসামিদের কাছে কোনো মোবাইল বা ডিজিটাল ডিভাইস না থাকায় তাদের ট্রেস করা কঠিন হচ্ছে। তবে ভিকটিম উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে অপহরণের প্রায় দুই মাস পার হতে চললেও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাবাসুম ইয়াসমিন সিম্মিকে (১৩) উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি মামলার আসামিরাও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিখোঁজ সিম্মি তাহিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী এবং উজান তাহিরপুর গ্রামের সাকিল পারভেজের মেয়ে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, স্কুলে যাওয়ার পথে সিম্মিকে প্রায়ই উত্যক্ত করত চিকসা গ্রামের বখাটে শেখ মহসীন এলিন পাশা। বিষয়টি নিয়ে স্বজনদের কাছে অভিযোগ জানালে কোনো সমাধান মেলেনি। গত ২৬ জুলাই সকালে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলে পথ থেকে সিম্মিকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় ২ আগস্ট সাকিল পারভেজ বাদী হয়ে এলিন পাশাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় মামলা করেন।
মেয়েকে ফিরে পেতে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব ও ডিবিসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী বাবা। তাহিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম জুবায়ের বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীকে দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, ভুক্তভোগী ও আসামিদের কাছে কোনো মোবাইল বা ডিজিটাল ডিভাইস না থাকায় তাদের ট্রেস করা কঠিন হচ্ছে। তবে ভিকটিম উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন