সংবাদ

চট্টগ্রাম ওয়াসার ৫ হাজার কোটি টাকার মেগা সোয়ারেজ প্রজেক্ট


মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম

চট্টগ্রাম ওয়াসার ৫ হাজার কোটি টাকার মেগা সোয়ারেজ প্রজেক্ট
ছবি: সংবাদ

চট্টগ্রাম নগরীতে আধুনিক পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ওয়াসা গৃহীত ৫ হাজার ২১৯ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। প্রথম সোয়ারেজ প্রকল্পের ৭৮ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের জুন মাসে দেশের প্রথম এই আধুনিক সোয়ারেজ প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রকল্পটি চালু হলে নগরের প্রায় ২০ লাখ মানুষ (মোট জনসংখ্যার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ) আধুনিক পয়োবর্জ্য সেবার আওতায় আসবেন। ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ওয়াসার ইতিহাসে এটিই প্রথম আধুনিক সোয়ারেজ প্রকল্প, যা বাস্তবায়নে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘তায়ং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড’।

২০২২ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে প্রকল্প প্রস্তাব সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় প্রায় ১ হাজার ৪১০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ২১৯ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। অর্থাৎ প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় খরচ বেড়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ। ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল একনেক সভায় সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন পায়।

ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম জানান, হালিশহরে ওয়াসা মালিকানাধীন ১৬৩ একর জায়গায় সোয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের অধীন মোট ২৭২ কিলোমিটার পয়োপাইপলাইনের মধ্যে ১৮২ কিলোমিটার ইতিমধ্যে বসানো শেষ হয়েছে। হালিশহরে পয়োশোধনাগারের ৯৫ শতাংশ সিভিল কাজ এবং ৬০ শতাংশ ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত ২৮ হাজার গৃহ-সংযোগের মধ্যে ১৬ হাজার সংযোগ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মাদ আরিফুল ইসলাম ও ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম জানান, সড়ক কেটে পাইপলাইন বসানো বর্ষাকালে কঠিন হয়ে পড়ে, যা প্রকল্পের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। চলতি বছরের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে সম্ভব না হওয়ায় মেয়াদে এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। আগামী শুকনো মৌসুমে সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় কাজের গতি বাড়িয়ে সময়মতো বাকি কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চট্টগ্রাম ওয়াসার ৫ হাজার কোটি টাকার মেগা সোয়ারেজ প্রজেক্ট

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম নগরীতে আধুনিক পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ওয়াসা গৃহীত ৫ হাজার ২১৯ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। প্রথম সোয়ারেজ প্রকল্পের ৭৮ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের জুন মাসে দেশের প্রথম এই আধুনিক সোয়ারেজ প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রকল্পটি চালু হলে নগরের প্রায় ২০ লাখ মানুষ (মোট জনসংখ্যার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ) আধুনিক পয়োবর্জ্য সেবার আওতায় আসবেন। ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ওয়াসার ইতিহাসে এটিই প্রথম আধুনিক সোয়ারেজ প্রকল্প, যা বাস্তবায়নে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘তায়ং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড’।

২০২২ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে প্রকল্প প্রস্তাব সংশোধনের মাধ্যমে ব্যয় প্রায় ১ হাজার ৪১০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ২১৯ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। অর্থাৎ প্রাথমিক হিসাবের তুলনায় খরচ বেড়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ। ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল একনেক সভায় সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন পায়।

ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম জানান, হালিশহরে ওয়াসা মালিকানাধীন ১৬৩ একর জায়গায় সোয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের অধীন মোট ২৭২ কিলোমিটার পয়োপাইপলাইনের মধ্যে ১৮২ কিলোমিটার ইতিমধ্যে বসানো শেষ হয়েছে। হালিশহরে পয়োশোধনাগারের ৯৫ শতাংশ সিভিল কাজ এবং ৬০ শতাংশ ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত ২৮ হাজার গৃহ-সংযোগের মধ্যে ১৬ হাজার সংযোগ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মাদ আরিফুল ইসলাম ও ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম জানান, সড়ক কেটে পাইপলাইন বসানো বর্ষাকালে কঠিন হয়ে পড়ে, যা প্রকল্পের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। চলতি বছরের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে সম্ভব না হওয়ায় মেয়াদে এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। আগামী শুকনো মৌসুমে সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় কাজের গতি বাড়িয়ে সময়মতো বাকি কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত