বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় ও উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ জামে মসজিদের ঠিক পাশেই রামচন্দ্রপুরপাড়া সুইপার কলোনিকে ঘিরে অবাধে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে এই মাদকের হাট বসছে, যা এলাকার পরিবেশ ও ধর্মীয় গাম্ভীর্য নষ্ট করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সুইপার কলোনির বাসিন্দা হৃদয় বাঁশফোড়, শাওনসহ একটি চক্র আগে সেখানে দেশি মদ বিক্রি করলেও এখন গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক কেনাবেচা করছে। এতে প্রায়ই মারামারির ঘটনা ঘটে এবং মসজিদে আসা মুসল্লিদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। তবে অভিযুক্ত হৃদয় বাঁশফোড় দেশি মদ পান ও বিক্রির কথা স্বীকার করলেও অন্য মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।
বিষয়টি বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঈদগাহ মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আব্দুল কাদের ও স্থানীয় বিএনপি নেতা হাসানুল মারুফ শিমুল।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন জানান, ওই কলোনির অধিবাসীরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর হওয়ায় তাদের নিজস্ব ব্যবহারের জন্য দেশি মদের অনুমতি থাকলেও বাইরে বিক্রির তথ্য পুলিশের কাছে নেই। অন্যদিকে, শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় ও উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ জামে মসজিদের ঠিক পাশেই রামচন্দ্রপুরপাড়া সুইপার কলোনিকে ঘিরে অবাধে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে এই মাদকের হাট বসছে, যা এলাকার পরিবেশ ও ধর্মীয় গাম্ভীর্য নষ্ট করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সুইপার কলোনির বাসিন্দা হৃদয় বাঁশফোড়, শাওনসহ একটি চক্র আগে সেখানে দেশি মদ বিক্রি করলেও এখন গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক কেনাবেচা করছে। এতে প্রায়ই মারামারির ঘটনা ঘটে এবং মসজিদে আসা মুসল্লিদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। তবে অভিযুক্ত হৃদয় বাঁশফোড় দেশি মদ পান ও বিক্রির কথা স্বীকার করলেও অন্য মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।
বিষয়টি বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঈদগাহ মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আব্দুল কাদের ও স্থানীয় বিএনপি নেতা হাসানুল মারুফ শিমুল।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন জানান, ওই কলোনির অধিবাসীরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর হওয়ায় তাদের নিজস্ব ব্যবহারের জন্য দেশি মদের অনুমতি থাকলেও বাইরে বিক্রির তথ্য পুলিশের কাছে নেই। অন্যদিকে, শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন