জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নতুন স্থায়ী সদস্য যুক্ত করার তীব্র বিরোধিতা করেছে পাকিস্তান ও তুরস্কসহ ১২টি দেশের একটি বৈশ্বিক জোট। স্থায়ী আসন বাড়ানোর বদলে নির্বাচিত বা অস্থায়ী সদস্যপদ বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি ঘূর্ণায়মান আসন চালুর তাগিদ দিয়েছে ‘ইউনাইটিং ফর কনসেনসাস’ নামের এই অক্ষটি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয় জোটটি।
পাকিস্তান ও তুরস্ক ছাড়া ১২ দেশের এই জোটে থাকা অন্য দেশগুলো হলো– আর্জেন্টিনা, কানাডা, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ইতালি, মাল্টা, মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, সান মারিনো ও স্পেন।
যৌথ বিবৃতিতে জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় একটি অধিক প্রতিনিধিত্বশীল, গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিরাপত্তা পরিষদ গঠনই তাদের মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত প্রতিনিধির সংখ্যা বাড়ানো হলে তা সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতার নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ করে আফ্রিকা, এশিয়া-প্যাসিফিক এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ঐতিহাসিক কম প্রতিনিধিত্বের সমস্যা সমাধানের জন্য নির্বাচিত সদস্য বৃদ্ধিকেই একমাত্র ন্যায়সংগত পথ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশগুলো।
পাশাপাশি শক্তিশালী ৫ দেশের একচ্ছত্র ভেটো ক্ষমতা সম্পূর্ণ বিলোপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে জোটটি। স্থায়ীভাবে ভেটো বাতিল না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধ ও বড় ধরনের নৃশংসতার ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ অবিলম্বে সীমিত করার আহ্বান জানান তারা।
নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে চলমান আন্তঃসরকারি আলোচনা (আইজিএন) প্রক্রিয়ার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে সব সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান খোঁজার ওপর জোর দিয়েছে এই ১২ দেশ।
/

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নতুন স্থায়ী সদস্য যুক্ত করার তীব্র বিরোধিতা করেছে পাকিস্তান ও তুরস্কসহ ১২টি দেশের একটি বৈশ্বিক জোট। স্থায়ী আসন বাড়ানোর বদলে নির্বাচিত বা অস্থায়ী সদস্যপদ বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি ঘূর্ণায়মান আসন চালুর তাগিদ দিয়েছে ‘ইউনাইটিং ফর কনসেনসাস’ নামের এই অক্ষটি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয় জোটটি।
পাকিস্তান ও তুরস্ক ছাড়া ১২ দেশের এই জোটে থাকা অন্য দেশগুলো হলো– আর্জেন্টিনা, কানাডা, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ইতালি, মাল্টা, মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, সান মারিনো ও স্পেন।
যৌথ বিবৃতিতে জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় একটি অধিক প্রতিনিধিত্বশীল, গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিরাপত্তা পরিষদ গঠনই তাদের মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত প্রতিনিধির সংখ্যা বাড়ানো হলে তা সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতার নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ করে আফ্রিকা, এশিয়া-প্যাসিফিক এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ঐতিহাসিক কম প্রতিনিধিত্বের সমস্যা সমাধানের জন্য নির্বাচিত সদস্য বৃদ্ধিকেই একমাত্র ন্যায়সংগত পথ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশগুলো।
পাশাপাশি শক্তিশালী ৫ দেশের একচ্ছত্র ভেটো ক্ষমতা সম্পূর্ণ বিলোপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে জোটটি। স্থায়ীভাবে ভেটো বাতিল না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধ ও বড় ধরনের নৃশংসতার ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ অবিলম্বে সীমিত করার আহ্বান জানান তারা।
নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে চলমান আন্তঃসরকারি আলোচনা (আইজিএন) প্রক্রিয়ার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে সব সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান খোঁজার ওপর জোর দিয়েছে এই ১২ দেশ।
/

আপনার মতামত লিখুন