জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে ভাষণ প্রদান শেষেই তড়িঘড়ি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়া শেষে অন্য কোনো দীর্ঘসূচি না রেখে সরাসরি নিজ দেশ ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেন তিনি। ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
অবশ্য ঢাকা ছাড়ার পূর্বে এবং জাতিসংঘে ভাষণ প্রদানের পর নেতানিয়াহু প্যারাগুয়ে, পানামা ও বলিভিয়ার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনা সভাগুলোতে তিনি 'আইজ্যাক অ্যাকর্ডস'-এর আওতায় ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরালো করার ওপর জোর দেন। ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলোর দাবি, সফর সংক্ষিপ্ত করে নেতানিয়াহুর দ্রুত নিউইয়র্ক ছাড়ার পেছনে কড়া নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি ও আশঙ্কাই মূল কারণ।
এদিকে নেতানিয়াহুর এই নিউইয়র্ক সফরকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ব্যাপক গণবিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন স্থানে চলা এসব প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে ইতোমধ্যে শতাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
এর আগে নিউইয়র্কের মেয়র পদের প্রার্থী জোহরান মামদানি তার নির্বাচনী প্রচারণাকালে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, নেতানিয়াহু শহরে প্রবেশ করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
পরবর্তীতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যায় মামদানি বলেন, "ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে নিজে গ্রেপ্তার করার আইনি ক্ষমতা আমার নেই।" তবে এর সঙ্গেই তিনি যোগ করে মন্তব্য করেন, "আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে সকলের সম্মান জানানো উচিত।"

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে ভাষণ প্রদান শেষেই তড়িঘড়ি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়া শেষে অন্য কোনো দীর্ঘসূচি না রেখে সরাসরি নিজ দেশ ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেন তিনি। ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
অবশ্য ঢাকা ছাড়ার পূর্বে এবং জাতিসংঘে ভাষণ প্রদানের পর নেতানিয়াহু প্যারাগুয়ে, পানামা ও বলিভিয়ার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনা সভাগুলোতে তিনি 'আইজ্যাক অ্যাকর্ডস'-এর আওতায় ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরালো করার ওপর জোর দেন। ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলোর দাবি, সফর সংক্ষিপ্ত করে নেতানিয়াহুর দ্রুত নিউইয়র্ক ছাড়ার পেছনে কড়া নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি ও আশঙ্কাই মূল কারণ।
এদিকে নেতানিয়াহুর এই নিউইয়র্ক সফরকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ব্যাপক গণবিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন স্থানে চলা এসব প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে ইতোমধ্যে শতাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
এর আগে নিউইয়র্কের মেয়র পদের প্রার্থী জোহরান মামদানি তার নির্বাচনী প্রচারণাকালে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, নেতানিয়াহু শহরে প্রবেশ করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
পরবর্তীতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যায় মামদানি বলেন, "ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে নিজে গ্রেপ্তার করার আইনি ক্ষমতা আমার নেই।" তবে এর সঙ্গেই তিনি যোগ করে মন্তব্য করেন, "আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে সকলের সম্মান জানানো উচিত।"

আপনার মতামত লিখুন