সংবাদ

জ্বালানি তেলের বাড়‌তি দাম: বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চায় সংসদীয় কমিটি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পিএম

জ্বালানি তেলের বাড়‌তি দাম: বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চায় সংসদীয় কমিটি

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকার পরও শুধুমাত্র মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে কীভাবে সংকটের অবসান ঘটলো, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছে চেয়েছে জাতীয় সংসদ।

একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা ভেবে তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েলের ভূমিকা নিয়েও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।
​আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে এতে পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম বার বার বৃদ্ধি ও সমন্বয়ের কারণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি এর মূল চালিকাশক্তিগুলো খতিয়ে দেখা হয়।
​বৈঠকে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে হঠাৎ জ্বালানি সংকট সৃষ্টির পেছনের কারণ নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সদস্যরা প্রশ্ন তোলেন, সংকটকালীন সময় ও তার পরবর্তী সময়ে তেলের সার্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা একই থাকার পরেও শুধুমাত্র লিটারপ্রতি দাম বাড়িয়ে দেওয়ার পরপরই কীভাবে রাতারাতি পেট্রোল পাম্পগুলোর সংকট দূর হলো। এ বিষয়ে বিপিসির রহস্যময় ভূমিকার জবাব চাওয়া হয়েছে।
​একই সাথে দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা, তেল সংরক্ষণের ধারণক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত তথ্য ও রিপোর্ট জমা দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।
এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজার ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জনগণের জন্য তেলের দাম নাগালের মধ্যে রাখতে একটি যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়।
​কমিটির সভাপতি নূরুল ইসলাম মনির পরিচালনায় আয়োজিত এই বৈঠকে সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব এবং বিপিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।
​এর আগে, চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখিয়ে দেশের পাম্পগুলোতে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। সে সময় গভীর রাতেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টা পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাহিদামতো তেল পাননি যানবাহন চালকেরা। পরবর্তীতে সম্প্রতি লিটারপ্রতি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জ্বালানি তেলের বাড়‌তি দাম: বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চায় সংসদীয় কমিটি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকার পরও শুধুমাত্র মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে কীভাবে সংকটের অবসান ঘটলো, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছে চেয়েছে জাতীয় সংসদ।

একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা ভেবে তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েলের ভূমিকা নিয়েও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।
​আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে এতে পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম বার বার বৃদ্ধি ও সমন্বয়ের কারণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি এর মূল চালিকাশক্তিগুলো খতিয়ে দেখা হয়।
​বৈঠকে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে হঠাৎ জ্বালানি সংকট সৃষ্টির পেছনের কারণ নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সদস্যরা প্রশ্ন তোলেন, সংকটকালীন সময় ও তার পরবর্তী সময়ে তেলের সার্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা একই থাকার পরেও শুধুমাত্র লিটারপ্রতি দাম বাড়িয়ে দেওয়ার পরপরই কীভাবে রাতারাতি পেট্রোল পাম্পগুলোর সংকট দূর হলো। এ বিষয়ে বিপিসির রহস্যময় ভূমিকার জবাব চাওয়া হয়েছে।
​একই সাথে দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা, তেল সংরক্ষণের ধারণক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত তথ্য ও রিপোর্ট জমা দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।
এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজার ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জনগণের জন্য তেলের দাম নাগালের মধ্যে রাখতে একটি যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়।
​কমিটির সভাপতি নূরুল ইসলাম মনির পরিচালনায় আয়োজিত এই বৈঠকে সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব এবং বিপিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।
​এর আগে, চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখিয়ে দেশের পাম্পগুলোতে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। সে সময় গভীর রাতেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টা পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাহিদামতো তেল পাননি যানবাহন চালকেরা। পরবর্তীতে সম্প্রতি লিটারপ্রতি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত