সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় শিশু ধর্ষণ মামলায় মো. রওশন শেখ নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু বক্কর সিদ্দিক এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৩ মে পাটকেলঘাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন মো. কামরুল শেখ। পরে একই বছরের ৬ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
মামলার বিচারকাজে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে আটজন সাধারণ সাক্ষী, একজন চিকিৎসক, একজন তদন্ত কর্মকর্তা এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শেখ আলমগীর আশরাফ। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ওয়ালীউল্লাহ।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় শিশু ধর্ষণ মামলায় মো. রওশন শেখ নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু বক্কর সিদ্দিক এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৩ মে পাটকেলঘাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন মো. কামরুল শেখ। পরে একই বছরের ৬ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
মামলার বিচারকাজে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে আটজন সাধারণ সাক্ষী, একজন চিকিৎসক, একজন তদন্ত কর্মকর্তা এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শেখ আলমগীর আশরাফ। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ওয়ালীউল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন