সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগপত্র হস্তান্তরের কাজ এখনো শেষ হয়নি জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত থাকা প্রার্থীদের বিষয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপনে গঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্যাবলি স্পষ্ট করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সংবাদমাধ্যমের নানা প্রতিবেদনের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই অনেক কথা বলেছেন, কেউ কেউ বাবার কাছে-মায়ের কাছে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু ইট ওয়াজ নট ফাইনাল। আমি দেখেছি কিছু কিছু মিডিয়া বিভ্রান্তিকর নিউজ দিয়েছে, তাতেই অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কেউ ক্ষতিয়ে দেখেননি যে বিষয়টি কোথায়।"
নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গৃহীত এই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। পুরো নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছ ও যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ধারাবাহিকভাবে কাজ শুরু করে। চূড়ান্ত তালিকা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের (ডিপিও) মাধ্যমে নিয়োগপত্র ইস্যু করার সময়ে দেখা যায়, অনেক প্রার্থীর ঠিকানায় পরিবর্তন রয়েছে এবং কয়েকজনের ভেরিফিকেশনের তথ্য অসম্পূর্ণ ছিল। সে তথ্যগুলো প্রার্থীরা পর্যায়ক্রমে বিভাগে জমা দিচ্ছেন।
গণমাধ্যমের সংবাদের প্রভাবে তৈরি বিভ্রান্তির সমালোচনা করে সংবাদ সম্মেলনে ড. মিলন বলেন, "এর মাঝে বিভিন্ন মিডিয়া এটাকে নিয়ে অনেক অপপ্রচার শুরু করেছে। একটি প্রতিবেদন আমরা দেখেছি, অত্যন্ত হৃদয়বিদারক মনে হয়েছে, যেন এ বিষয়টি শেষ হয়ে গেছে। অথচ আমরা ফাইনাল চিঠি দিয়েছি। আরেকজনের রেজাল্ট পাওয়ার আগেই মিডিয়া প্রচার চালিয়েছিল, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।"
স্থগিত প্রার্থীদের বিষয়ে হালনাগাদ অবস্থান ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, "আজ পর্যন্ত বাকি আছে ৮১৭ জন। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে, ঠিকানা আসছে। অপপ্রচার দেখে আমি একটি প্রেস রিলিজ দিয়ে দিয়েছিলাম। যাদের হয়নি, সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং সেগুলো রিভিউ করছি। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এটা চলবে।"

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগপত্র হস্তান্তরের কাজ এখনো শেষ হয়নি জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত থাকা প্রার্থীদের বিষয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপনে গঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্যাবলি স্পষ্ট করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সংবাদমাধ্যমের নানা প্রতিবেদনের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই অনেক কথা বলেছেন, কেউ কেউ বাবার কাছে-মায়ের কাছে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার কথা বলছেন। কিন্তু ইট ওয়াজ নট ফাইনাল। আমি দেখেছি কিছু কিছু মিডিয়া বিভ্রান্তিকর নিউজ দিয়েছে, তাতেই অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কেউ ক্ষতিয়ে দেখেননি যে বিষয়টি কোথায়।"
নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গৃহীত এই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। পুরো নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছ ও যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ধারাবাহিকভাবে কাজ শুরু করে। চূড়ান্ত তালিকা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের (ডিপিও) মাধ্যমে নিয়োগপত্র ইস্যু করার সময়ে দেখা যায়, অনেক প্রার্থীর ঠিকানায় পরিবর্তন রয়েছে এবং কয়েকজনের ভেরিফিকেশনের তথ্য অসম্পূর্ণ ছিল। সে তথ্যগুলো প্রার্থীরা পর্যায়ক্রমে বিভাগে জমা দিচ্ছেন।
গণমাধ্যমের সংবাদের প্রভাবে তৈরি বিভ্রান্তির সমালোচনা করে সংবাদ সম্মেলনে ড. মিলন বলেন, "এর মাঝে বিভিন্ন মিডিয়া এটাকে নিয়ে অনেক অপপ্রচার শুরু করেছে। একটি প্রতিবেদন আমরা দেখেছি, অত্যন্ত হৃদয়বিদারক মনে হয়েছে, যেন এ বিষয়টি শেষ হয়ে গেছে। অথচ আমরা ফাইনাল চিঠি দিয়েছি। আরেকজনের রেজাল্ট পাওয়ার আগেই মিডিয়া প্রচার চালিয়েছিল, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।"
স্থগিত প্রার্থীদের বিষয়ে হালনাগাদ অবস্থান ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, "আজ পর্যন্ত বাকি আছে ৮১৭ জন। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে, ঠিকানা আসছে। অপপ্রচার দেখে আমি একটি প্রেস রিলিজ দিয়ে দিয়েছিলাম। যাদের হয়নি, সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং সেগুলো রিভিউ করছি। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এটা চলবে।"

আপনার মতামত লিখুন