সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে চায় ৬টিরও বেশি দেশ: পাকিস্তান


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে চায় ৬টিরও বেশি দেশ: পাকিস্তান
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা মক্কা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বিশ্বের ছয়টিরও বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তবে কৌশলগত ও কূটনৈতিক কারণে আগ্রহ প্রকাশ করা দেশগুলোর নাম এখনই প্রকাশ করেননি পাকিস্তানের শীর্ষ এই কূটনীতিক।

ইসহাক দার স্পষ্ট করেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিটি সম্পূর্ণ একটি আত্মরক্ষামূলক জোট। এটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়নি। পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫-এর অনুকরণে এই চুক্তিতে বিধান রাখা হয়েছে যে, সদস্য তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।

ইতিমধ্যে এই জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুমান মাহমুদকে মনোনীত করা হয়েছে। উপপ্রধানমন্ত্রী জানান, এই জোটের স্থায়ী সদর দপ্তর সৌদি আরবে স্থাপন করা হবে এবং গত ৩১ আগস্ট জোটের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে।

সম্প্রতি সৌদি আরবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইসহাক দার জানান, আগামী সপ্তাহে মক্কা চুক্তির আওতায় এক জরুরি পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী যেকোনো সার্বভৌম দেশের প্রতিরক্ষা জোট গঠনের এবং যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের ওপর অতিরিক্ত কোনো ফি বা সার্ভিস চার্জ আরোপের বিরোধিতা করেন তিনি। এ ছাড়া প্রতিবেশী আফগানিস্তান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ইসহাক দার জানান, ইসলামাবাদ কাবুলের সার্বিক শুভকামনা জানায়। তবে টিটিপি (তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান) কিংবা বিএলএ-এর মতো গোষ্ঠীগুলো যেন আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালাতে না পারে, তা তালেবান সরকারকে প্রমাণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, লোহিত সাগরে হুতিদের তৎপরতা বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে গত ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কা নগরীতে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক যৌথভাবে এই সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে।

\ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে চায় ৬টিরও বেশি দেশ: পাকিস্তান

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা মক্কা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বিশ্বের ছয়টিরও বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তবে কৌশলগত ও কূটনৈতিক কারণে আগ্রহ প্রকাশ করা দেশগুলোর নাম এখনই প্রকাশ করেননি পাকিস্তানের শীর্ষ এই কূটনীতিক।

ইসহাক দার স্পষ্ট করেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিটি সম্পূর্ণ একটি আত্মরক্ষামূলক জোট। এটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়নি। পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫-এর অনুকরণে এই চুক্তিতে বিধান রাখা হয়েছে যে, সদস্য তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।

ইতিমধ্যে এই জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুমান মাহমুদকে মনোনীত করা হয়েছে। উপপ্রধানমন্ত্রী জানান, এই জোটের স্থায়ী সদর দপ্তর সৌদি আরবে স্থাপন করা হবে এবং গত ৩১ আগস্ট জোটের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে।

সম্প্রতি সৌদি আরবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইসহাক দার জানান, আগামী সপ্তাহে মক্কা চুক্তির আওতায় এক জরুরি পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী যেকোনো সার্বভৌম দেশের প্রতিরক্ষা জোট গঠনের এবং যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের ওপর অতিরিক্ত কোনো ফি বা সার্ভিস চার্জ আরোপের বিরোধিতা করেন তিনি। এ ছাড়া প্রতিবেশী আফগানিস্তান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ইসহাক দার জানান, ইসলামাবাদ কাবুলের সার্বিক শুভকামনা জানায়। তবে টিটিপি (তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান) কিংবা বিএলএ-এর মতো গোষ্ঠীগুলো যেন আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালাতে না পারে, তা তালেবান সরকারকে প্রমাণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, লোহিত সাগরে হুতিদের তৎপরতা বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে গত ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কা নগরীতে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক যৌথভাবে এই সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে।

\ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত