দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলতে কিছু নেই দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, সর্বস্তরের মানুষের অভিযোগ–স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামলাতে ব্যর্থ হয়ে মন্ত্রী এখন সংবিধান বিশেষজ্ঞের মতো কথা বলছেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের পররাষ্ট্রনীতি ও উন্নয়ন বৈষম্যের তীব্র সমালোচনা করে জামায়াতের এই নায়েবে আমীর রংপুর বিভাগের জন্য ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৭ বছরেও রংপুর বিভাগে আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি। অতীতে যেসব দল ক্ষমতায় এসেছে, তারা রংপুরকে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার বানিয়েছে। দুর্নীতি বন্ধ করা গেলে বাংলাদেশ এত দিনে সিঙ্গাপুরের চেয়েও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতো। এই বৈষম্য দূর করতে রংপুর বিভাগের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্যরা সংসদে ও রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী বড় বড় কথা বললেও এখন পাশের দেশের চাপে সরকার পিছু হঠছে। সরকার ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাছে নতি স্বীকার করছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন। তিস্তা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পের আধুনিকীকরণ, সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর ও গাইবান্ধায় দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানান তিনি।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরে এটিএম আজহার বলেন, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় তদন্ত শুরুর আগেই মেজর আখতারুজ্জামানকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অথচ ঢাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় জড়িত সংসদ সদস্যকে কেবল পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে; তার বিরুদ্ধে এখনো কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়নি।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে জামায়াত নেতা আজহার বলেন, দলটিকে জেল-জুলুমের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। দলের শীর্ষ নেতাদের হারিয়ে এবং হাজার হাজার নেতা-কর্মীর গ্রেপ্তারের পরও জামায়াতকে দমানো যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবার রহমান বেলাল, রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানীসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলতে কিছু নেই দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, সর্বস্তরের মানুষের অভিযোগ–স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামলাতে ব্যর্থ হয়ে মন্ত্রী এখন সংবিধান বিশেষজ্ঞের মতো কথা বলছেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের পররাষ্ট্রনীতি ও উন্নয়ন বৈষম্যের তীব্র সমালোচনা করে জামায়াতের এই নায়েবে আমীর রংপুর বিভাগের জন্য ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৭ বছরেও রংপুর বিভাগে আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি। অতীতে যেসব দল ক্ষমতায় এসেছে, তারা রংপুরকে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার বানিয়েছে। দুর্নীতি বন্ধ করা গেলে বাংলাদেশ এত দিনে সিঙ্গাপুরের চেয়েও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতো। এই বৈষম্য দূর করতে রংপুর বিভাগের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্যরা সংসদে ও রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী বড় বড় কথা বললেও এখন পাশের দেশের চাপে সরকার পিছু হঠছে। সরকার ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাছে নতি স্বীকার করছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন। তিস্তা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পের আধুনিকীকরণ, সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর ও গাইবান্ধায় দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানান তিনি।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরে এটিএম আজহার বলেন, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় তদন্ত শুরুর আগেই মেজর আখতারুজ্জামানকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অথচ ঢাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় জড়িত সংসদ সদস্যকে কেবল পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে; তার বিরুদ্ধে এখনো কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়নি।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে জামায়াত নেতা আজহার বলেন, দলটিকে জেল-জুলুমের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। দলের শীর্ষ নেতাদের হারিয়ে এবং হাজার হাজার নেতা-কর্মীর গ্রেপ্তারের পরও জামায়াতকে দমানো যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবার রহমান বেলাল, রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানীসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন