রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ফকিরহাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে দুইটি শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ল্যাব সহকারী ও অফিস সহায়ক পদে মেধার তোয়াক্কা না করে প্রায় অর্ধকোটি টাকার বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীদের চূড়ান্ত করার অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থী ও স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ফকিরহাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ও অফিস সহায়কের দুই পদে ২২ জন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। চূড়ান্ত ফলাফলে বিজয়ী হিসেবে যাদের নাম ঘোষণা করা হয়, তাদের একজন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম বুলবুলের আত্মীয় এবং অন্যজন স্থানীয় জামায়াত নেতার ভাতিজা। অভিযোগ উঠেছে, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে ২৫ লাখ টাকা এবং অফিস সহকারী পদে ২২ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকার বাণিজ্য হয়েছে।
বঞ্চিত প্রার্থীদের অভিযোগ, উচ্চশিক্ষিত বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের নির্বাচন করা হয়েছে। অফিস সহায়কে নির্বাচিত সৌরভ নামে এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে এসএসসি-তে দুই বিষয়ে ফেল করার অভিযোগও তুলেছেন প্রার্থীরা। তাদের দাবি, সকাল ১০টার পরীক্ষা ১ ঘণ্টা পিছিয়ে ১১টায় নেওয়া হয় এবং ফলাফল প্রকাশের আগে গোপনীয় মিটিং করে আগে থেকে নির্ধারিত নাম দুটিই প্রকাশ করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে ফকিরহাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বুলবুল স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে স্বচ্ছ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ পারভেজ জানান, কমিটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ সম্পন্ন করেছে। তবে কেউ ব্যক্তিগতভাবে টাকা দিয়ে থাকলে তার দায় সংশ্লিষ্টদের।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ফকিরহাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে দুইটি শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ল্যাব সহকারী ও অফিস সহায়ক পদে মেধার তোয়াক্কা না করে প্রায় অর্ধকোটি টাকার বিনিময়ে পছন্দের প্রার্থীদের চূড়ান্ত করার অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থী ও স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ফকিরহাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ও অফিস সহায়কের দুই পদে ২২ জন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। চূড়ান্ত ফলাফলে বিজয়ী হিসেবে যাদের নাম ঘোষণা করা হয়, তাদের একজন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম বুলবুলের আত্মীয় এবং অন্যজন স্থানীয় জামায়াত নেতার ভাতিজা। অভিযোগ উঠেছে, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে ২৫ লাখ টাকা এবং অফিস সহকারী পদে ২২ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকার বাণিজ্য হয়েছে।
বঞ্চিত প্রার্থীদের অভিযোগ, উচ্চশিক্ষিত বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের নির্বাচন করা হয়েছে। অফিস সহায়কে নির্বাচিত সৌরভ নামে এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে এসএসসি-তে দুই বিষয়ে ফেল করার অভিযোগও তুলেছেন প্রার্থীরা। তাদের দাবি, সকাল ১০টার পরীক্ষা ১ ঘণ্টা পিছিয়ে ১১টায় নেওয়া হয় এবং ফলাফল প্রকাশের আগে গোপনীয় মিটিং করে আগে থেকে নির্ধারিত নাম দুটিই প্রকাশ করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে ফকিরহাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বুলবুল স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে স্বচ্ছ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ পারভেজ জানান, কমিটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ সম্পন্ন করেছে। তবে কেউ ব্যক্তিগতভাবে টাকা দিয়ে থাকলে তার দায় সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মতামত লিখুন