সংবাদ

মেধাতালিকায় প্রথম, নিয়োগে অনুপস্থিত


সাদিয়া সুলতানা রিমি
সাদিয়া সুলতানা রিমি
প্রকাশ: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৬ এএম

মেধাতালিকায় প্রথম, নিয়োগে অনুপস্থিত

একজন শিক্ষার্থী যখন শৈশব থেকে পড়াশোনা শুরু করে, তখন তার সামনে থাকে একটি স্বপ্ন একদিন নিজের যোগ্যতায় নিজের একটি জায়গা তৈরি করবে। বছরের পর বছর বই পড়া, পরীক্ষা দেওয়া, ব্যর্থতার পর আবার চেষ্টা করা এবং পরিবারের প্রত্যাশার সঙ্গে লড়াই করে যখন সে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নেয়, তখন সেই পরীক্ষা তার কাছে শুধু একটি পরীক্ষা থাকে না; হয়ে ওঠে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের মূল্যায়ন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-কে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তাই নতুন করে একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে একজন প্রার্থীর মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন আসলে কোথায়?

গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল। এর আগে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু ২৪ সেপ্টেম্বরের পর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার তালিকা প্রকাশের সময় দেখা যায়, সুপারিশপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থীর নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিভিন্নভাবে প্রায় দেড় হাজার প্রার্থীর বাদ পড়ার অভিযোগের কথা উঠে এসেছে। তাদের বাদ দেওয়ার নির্দিষ্ট কারণও প্রকাশ্যে স্পষ্ট করা হয়নি; প্রার্থীদের অনেকে পুলিশ বা গোয়েন্দা যাচাইয়ে নেতিবাচক প্রতিবেদনের কথা জানতে পেরেছেন।

এই ঘটনাগুলোর মধ্যেই সামনে এসেছে তামান্না আক্তারের ঘটনা। তিনি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। নিজ উপজেলা চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের মেধাতালিকায় তিনি প্রথম এবং পুরো চাঁদপুর জেলায় ১১তম হয়েছিলেন। তার দাবি, তিনি বা তার পরিবারের কেউ কোনো সময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। কিন্তু ২৪ সেপ্টেম্বর তার নামে নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। প্রতিবেদনে তার বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশ ও এনএসআইয়ের ভেরিফিকেশনে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং তিনি এটিকে ‘পলিটিক্যাল ট্যাগ’-এর ফল হিসেবে দেখছেন।

তামান্নার ঘটনা তাই শুধু একজন চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত হতাশার গল্প নয়; এটি একটি বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে আনে একজন মানুষ যদি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিজের উপজেলায় প্রথম হন, তাহলে তার নিয়োগ আটকে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের কারণটি কি তার কাছে স্পষ্ট হওয়া উচিত নয়?

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই থাকা স্বাভাবিক। রাষ্ট্র তার প্রতিষ্ঠানে কাদের নিয়োগ দিচ্ছে, সে বিষয়ে আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করতেই পারে। ২০২৬ সালের মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরও সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের পূর্বকার্যকলাপ, কাগজপত্র ও নথি যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিল।

কিন্তু যাচাইয়ের প্রশ্নের পাশাপাশি স্বচ্ছতার প্রশ্নটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলে সেই আপত্তির ভিত্তি কী? কোন তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? তথ্যটি কতটা নির্ভুল? সংশ্লিষ্ট প্রার্থী কি নিজের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন? ভুল তথ্য থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ আছে কি?

বিশেষ করে যদি কোনো প্রার্থীর রাজনৈতিক মতাদর্শ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পুরোনো কোনো পোস্ট কিংবা পরিবারের কোনো সদস্যের রাজনৈতিক পরিচয়কে তার নিয়োগের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই ব্যক্তির নিজের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অন্যের রাজনৈতিক অবস্থানকে কীভাবে যুক্ত করা হলো?

একজন মানুষের পরিবারে ভিন্নমতের মানুষ থাকতে পারেন। আত্মীয়স্বজনের রাজনৈতিক মত তার নিজের মতের সঙ্গে এক নাও হতে পারে। তাই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির নিজের কর্মকাণ্ড, নির্দিষ্ট প্রমাণ এবং প্রযোজ্য আইনকে আলাদা করে দেখা জরুরি।

এখানে ‘মেধা’ এবং ‘ভেরিফিকেশন’কে একে অপরের বিপরীতে দাঁড় করানোর প্রয়োজন নেই। একজন প্রার্থী পরীক্ষায় ভালো করেছেন এটি তার যোগ্যতার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। আবার রাষ্ট্রের আইনগত যাচাইয়ের প্রয়োজন থাকলে সেটিও হতে পারে। কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই প্রশ্ন হলো—মানদণ্ডটি কী এবং সেটি কি সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে?

একজন প্রার্থীর জন্য একটি সরকারি চাকরি শুধু একটি চাকরি নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পরিবারের বহু বছরের আশা, আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ। তাই বছরের পর বছর পড়াশোনা করে পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের পর শেষ মুহূর্তে নিয়োগ আটকে গেলে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের আস্থা তৈরি হয় শুধু সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার মাধ্যমেও। একজন নাগরিক যদি জানেন যে তার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তিনি কারণ জানতে পারবেন, নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবেন এবং ভুল হলে প্রতিকার চাইতে পারবেন, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি তার আস্থা বাড়বে।

তাই প্রশ্নটি শুধু ‘কে চাকরি পেলেন, কে পেলেন না’ এখানে থেমে থাকা উচিত নয়। প্রশ্ন হওয়া উচিত কেন পেলেন না?

যে প্রার্থী পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলে সেই আপত্তির ভিত্তি কী? কোন প্রমাণের ভিত্তিতে তার নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছে? তাকে কি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে? একই মানদণ্ড কি প্রত্যেক প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে?

(লেখকের নিজস্ব মত)

[লেখক: শিক্ষার্থী, গণিত বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


মেধাতালিকায় প্রথম, নিয়োগে অনুপস্থিত

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

একজন শিক্ষার্থী যখন শৈশব থেকে পড়াশোনা শুরু করে, তখন তার সামনে থাকে একটি স্বপ্ন একদিন নিজের যোগ্যতায় নিজের একটি জায়গা তৈরি করবে। বছরের পর বছর বই পড়া, পরীক্ষা দেওয়া, ব্যর্থতার পর আবার চেষ্টা করা এবং পরিবারের প্রত্যাশার সঙ্গে লড়াই করে যখন সে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নেয়, তখন সেই পরীক্ষা তার কাছে শুধু একটি পরীক্ষা থাকে না; হয়ে ওঠে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের মূল্যায়ন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-কে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তাই নতুন করে একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এনেছে একজন প্রার্থীর মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন আসলে কোথায়?

গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল। এর আগে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু ২৪ সেপ্টেম্বরের পর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার তালিকা প্রকাশের সময় দেখা যায়, সুপারিশপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থীর নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিভিন্নভাবে প্রায় দেড় হাজার প্রার্থীর বাদ পড়ার অভিযোগের কথা উঠে এসেছে। তাদের বাদ দেওয়ার নির্দিষ্ট কারণও প্রকাশ্যে স্পষ্ট করা হয়নি; প্রার্থীদের অনেকে পুলিশ বা গোয়েন্দা যাচাইয়ে নেতিবাচক প্রতিবেদনের কথা জানতে পেরেছেন।

এই ঘটনাগুলোর মধ্যেই সামনে এসেছে তামান্না আক্তারের ঘটনা। তিনি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। নিজ উপজেলা চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের মেধাতালিকায় তিনি প্রথম এবং পুরো চাঁদপুর জেলায় ১১তম হয়েছিলেন। তার দাবি, তিনি বা তার পরিবারের কেউ কোনো সময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। কিন্তু ২৪ সেপ্টেম্বর তার নামে নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। প্রতিবেদনে তার বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশ ও এনএসআইয়ের ভেরিফিকেশনে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং তিনি এটিকে ‘পলিটিক্যাল ট্যাগ’-এর ফল হিসেবে দেখছেন।

তামান্নার ঘটনা তাই শুধু একজন চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত হতাশার গল্প নয়; এটি একটি বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে আনে একজন মানুষ যদি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিজের উপজেলায় প্রথম হন, তাহলে তার নিয়োগ আটকে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের কারণটি কি তার কাছে স্পষ্ট হওয়া উচিত নয়?

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই থাকা স্বাভাবিক। রাষ্ট্র তার প্রতিষ্ঠানে কাদের নিয়োগ দিচ্ছে, সে বিষয়ে আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করতেই পারে। ২০২৬ সালের মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরও সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের পূর্বকার্যকলাপ, কাগজপত্র ও নথি যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিল।

কিন্তু যাচাইয়ের প্রশ্নের পাশাপাশি স্বচ্ছতার প্রশ্নটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলে সেই আপত্তির ভিত্তি কী? কোন তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? তথ্যটি কতটা নির্ভুল? সংশ্লিষ্ট প্রার্থী কি নিজের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন? ভুল তথ্য থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ আছে কি?

বিশেষ করে যদি কোনো প্রার্থীর রাজনৈতিক মতাদর্শ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পুরোনো কোনো পোস্ট কিংবা পরিবারের কোনো সদস্যের রাজনৈতিক পরিচয়কে তার নিয়োগের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই ব্যক্তির নিজের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অন্যের রাজনৈতিক অবস্থানকে কীভাবে যুক্ত করা হলো?

একজন মানুষের পরিবারে ভিন্নমতের মানুষ থাকতে পারেন। আত্মীয়স্বজনের রাজনৈতিক মত তার নিজের মতের সঙ্গে এক নাও হতে পারে। তাই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির নিজের কর্মকাণ্ড, নির্দিষ্ট প্রমাণ এবং প্রযোজ্য আইনকে আলাদা করে দেখা জরুরি।

এখানে ‘মেধা’ এবং ‘ভেরিফিকেশন’কে একে অপরের বিপরীতে দাঁড় করানোর প্রয়োজন নেই। একজন প্রার্থী পরীক্ষায় ভালো করেছেন এটি তার যোগ্যতার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। আবার রাষ্ট্রের আইনগত যাচাইয়ের প্রয়োজন থাকলে সেটিও হতে পারে। কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই প্রশ্ন হলো—মানদণ্ডটি কী এবং সেটি কি সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে?

একজন প্রার্থীর জন্য একটি সরকারি চাকরি শুধু একটি চাকরি নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পরিবারের বহু বছরের আশা, আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ। তাই বছরের পর বছর পড়াশোনা করে পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের পর শেষ মুহূর্তে নিয়োগ আটকে গেলে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের আস্থা তৈরি হয় শুধু সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার মাধ্যমেও। একজন নাগরিক যদি জানেন যে তার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তিনি কারণ জানতে পারবেন, নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবেন এবং ভুল হলে প্রতিকার চাইতে পারবেন, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি তার আস্থা বাড়বে।

তাই প্রশ্নটি শুধু ‘কে চাকরি পেলেন, কে পেলেন না’ এখানে থেমে থাকা উচিত নয়। প্রশ্ন হওয়া উচিত কেন পেলেন না?

যে প্রার্থী পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলে সেই আপত্তির ভিত্তি কী? কোন প্রমাণের ভিত্তিতে তার নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছে? তাকে কি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে? একই মানদণ্ড কি প্রত্যেক প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে?

(লেখকের নিজস্ব মত)

[লেখক: শিক্ষার্থী, গণিত বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত