নারী ও মাদকসংক্রান্ত বিবাদের জেরে ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া ভাঙ্গারপুল এলাকায় সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে অন্তর (২৫) নামের এক যুবককে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে আকুয়া ভাঙ্গারপুল এলাকায় অন্তরের বসতঘরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম হোসেন একই এলাকার চুন্নু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে সাদ্দামকে নিজ ঘরে ডেকে নেন অন্তর। সেখানে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অন্তর ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাদ্দামের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করেন। সাদ্দামের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে ঘরটির দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সাদ্দামকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং অন্তরকে ঘরের ভেতরই হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত সাদ্দামকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও গুরুতর জখমের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চিকিৎসকেরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নারী ও মাদক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অন্তর ও সাদ্দামের মধ্যে কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এক নারীকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া দ্বন্দ্বে সাদ্দাম অন্তরকে মারধরও করেছিলেন। সেই বিরোধের জেরে মঙ্গলবার সাদ্দামকে ডেকে এনে হত্যা করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পূর্ববিরোধের জের ধরে সাদ্দামকে ঘরে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয়রা মূল অভিযুক্ত অন্তরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।’
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নারী ও মাদকসংক্রান্ত বিবাদের জেরে ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া ভাঙ্গারপুল এলাকায় সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে অন্তর (২৫) নামের এক যুবককে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে আকুয়া ভাঙ্গারপুল এলাকায় অন্তরের বসতঘরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম হোসেন একই এলাকার চুন্নু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে সাদ্দামকে নিজ ঘরে ডেকে নেন অন্তর। সেখানে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অন্তর ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাদ্দামের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করেন। সাদ্দামের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে ঘরটির দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সাদ্দামকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং অন্তরকে ঘরের ভেতরই হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত সাদ্দামকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও গুরুতর জখমের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান চিকিৎসকেরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নারী ও মাদক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অন্তর ও সাদ্দামের মধ্যে কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এক নারীকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া দ্বন্দ্বে সাদ্দাম অন্তরকে মারধরও করেছিলেন। সেই বিরোধের জেরে মঙ্গলবার সাদ্দামকে ডেকে এনে হত্যা করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পূর্ববিরোধের জের ধরে সাদ্দামকে ঘরে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয়রা মূল অভিযুক্ত অন্তরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।’
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন