পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সারেংকাঠী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে গর্ভবতী রেজিস্টার, ওষুধ রেজিস্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, আসবাবপত্র ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পুড়ে গেছে।
ঘটনাস্থল থেকে পোড়া কাপড়ের কুণ্ডলী উদ্ধারের পর ঘটনাটি নাশকতা কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোররাতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা সোনিয়া আক্তারের কক্ষে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা সোনিয়া আক্তার জানান, সোমবার অফিস শেষে কেন্দ্রটিতে তালা বন্ধ করে তারা বাড়ি চলে যান। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কার্যালয়ে এসে ভেতর থেকে পোড়া গন্ধ পান। পরে দরজা খুলে তার কক্ষে গিয়ে দেখেন টেবিল-চেয়ার, বেশ কিছু রেজিস্টার খাতা, পর্দা এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ও কনডম পুড়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, "কক্ষের একটি জানালার শিট নষ্ট থাকায় সেটি কিছুটা খোলা ছিল। জানালার কাছে লুঙ্গির মতো পেঁচানো একটি পোড়া কাপড়ের কুণ্ডলী পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সেটি আলামত হিসেবে জব্দ করেছে।"
উপজেলা মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি) জহর বালা বলেন, ‘খবর পেয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছি। আলামত দেখে মনে হয়েছে, এটি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ঘটেনি। আগুনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার ও ওষুধপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি জানিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।’
নেছারাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার জানান, পুলিশ খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডের আসল কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সারেংকাঠী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে গর্ভবতী রেজিস্টার, ওষুধ রেজিস্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, আসবাবপত্র ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পুড়ে গেছে।
ঘটনাস্থল থেকে পোড়া কাপড়ের কুণ্ডলী উদ্ধারের পর ঘটনাটি নাশকতা কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোররাতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা সোনিয়া আক্তারের কক্ষে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা সোনিয়া আক্তার জানান, সোমবার অফিস শেষে কেন্দ্রটিতে তালা বন্ধ করে তারা বাড়ি চলে যান। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কার্যালয়ে এসে ভেতর থেকে পোড়া গন্ধ পান। পরে দরজা খুলে তার কক্ষে গিয়ে দেখেন টেবিল-চেয়ার, বেশ কিছু রেজিস্টার খাতা, পর্দা এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ও কনডম পুড়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, "কক্ষের একটি জানালার শিট নষ্ট থাকায় সেটি কিছুটা খোলা ছিল। জানালার কাছে লুঙ্গির মতো পেঁচানো একটি পোড়া কাপড়ের কুণ্ডলী পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সেটি আলামত হিসেবে জব্দ করেছে।"
উপজেলা মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি) জহর বালা বলেন, ‘খবর পেয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছি। আলামত দেখে মনে হয়েছে, এটি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ঘটেনি। আগুনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার ও ওষুধপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি জানিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।’
নেছারাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার জানান, পুলিশ খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডের আসল কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন