সংবাদ

চলতি মাসেই খুলবে জিইসি ফুটওভার ব্রিজ : ডা. শাহাদাত


প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম

চলতি মাসেই খুলবে জিইসি ফুটওভার ব্রিজ : ডা. শাহাদাত
চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে নির্মাণাধীন ফুটওভার ব্রিজ পরিদর্শন করেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ছবি : সংবাদ

চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই জিইসি মোড়ের ফুটওভার ব্রিজটি উদ্বোধনের মাধ্যমে সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে নির্মাণাধীন এই ব্রিজের নকশা ও প্রস্থ নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর জিইসি মোড়ে নির্মাণাধীন ফুটওভার ব্রিজ পরিদর্শন এবং সংলগ্ন এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান মেয়র।

নকশা ও প্রস্থ নিয়ে সমালোচনার জবাবে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘কারিগরি বিষয় না বুঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ও সরকারি গেজেটে পাবলিক এক্সেসওয়ে কিংবা ফুটওভার ব্রিজের ক্ষেত্রে ন্যূনতম প্রস্থ ১.২ মিটার নির্ধারণ করা রয়েছে। কিন্তু জিইসি মোড়ের ব্রিজটিতে ভিন্ন ভিন্ন অংশে মাপ অনুযায়ী ১.৩ মিটার, ১.৪ মিটার এবং সর্বোচ্চ ১.৫ মিটার পর্যন্ত প্রস্থ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ আইনি মানদণ্ডের চেয়েও এখানে বেশি জায়গা রাখা হয়েছে।’

উন্নয়ন কাজের উদ্দেশ্য তুলে ধরে চসিক মেয়র বলেন, ‘কেউ কেউ বলছেন হাঁটার জায়গার প্রস্থ কম হয়েছে। এটি মানুষের নিরাপদে রাস্তা পারাপারের জন্য তৈরি করা হয়েছে, এখানে পণ্য বিক্রি করা বা রাতে ঘুমানোর জন্য জায়গা বানানো হয়নি।’

তিনি জানান, চসিকের প্রায় সাতজন প্রকৌশলী ও চারজন স্থপতির দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ব্যস্ততম এই মোড়ে পথচারীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে চারদিক থেকে ওঠা-নামার সুবিধা রেখে নকশাটি তৈরি করা হয়েছে। আশপাশের স্কুল, হাসপাতাল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক পথচারীর জন্য ব্রিজটি অত্যন্ত জরুরি।

সমালোচকদের তথ্যভিত্তিক মন্তব্যের পরামর্শ দিয়ে মেয়র বলেন, ‘যেকোনো ভালো উদ্যোগ নিলেই একটি মহল অনর্থক সমালোচনা শুরু করে। কোনো বিশেষজ্ঞের সংশয় থাকলে সরাসরি চসিকের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা স্বাগত জানাই।’

সব বাধা পেরিয়ে চলতি মাসের ২৫ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে ফুটওভার ব্রিজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে মেয়র জিইসি মোড় থেকে গোলপাহাড় পর্যন্ত সড়কে উচ্ছেদ অভিযান চালান। এ সময় ফুটপাত দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো দখলমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেন মেয়র।

এ সময় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


চলতি মাসেই খুলবে জিইসি ফুটওভার ব্রিজ : ডা. শাহাদাত

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই জিইসি মোড়ের ফুটওভার ব্রিজটি উদ্বোধনের মাধ্যমে সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে নির্মাণাধীন এই ব্রিজের নকশা ও প্রস্থ নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর জিইসি মোড়ে নির্মাণাধীন ফুটওভার ব্রিজ পরিদর্শন এবং সংলগ্ন এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান মেয়র।

নকশা ও প্রস্থ নিয়ে সমালোচনার জবাবে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘কারিগরি বিষয় না বুঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ও সরকারি গেজেটে পাবলিক এক্সেসওয়ে কিংবা ফুটওভার ব্রিজের ক্ষেত্রে ন্যূনতম প্রস্থ ১.২ মিটার নির্ধারণ করা রয়েছে। কিন্তু জিইসি মোড়ের ব্রিজটিতে ভিন্ন ভিন্ন অংশে মাপ অনুযায়ী ১.৩ মিটার, ১.৪ মিটার এবং সর্বোচ্চ ১.৫ মিটার পর্যন্ত প্রস্থ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ আইনি মানদণ্ডের চেয়েও এখানে বেশি জায়গা রাখা হয়েছে।’

উন্নয়ন কাজের উদ্দেশ্য তুলে ধরে চসিক মেয়র বলেন, ‘কেউ কেউ বলছেন হাঁটার জায়গার প্রস্থ কম হয়েছে। এটি মানুষের নিরাপদে রাস্তা পারাপারের জন্য তৈরি করা হয়েছে, এখানে পণ্য বিক্রি করা বা রাতে ঘুমানোর জন্য জায়গা বানানো হয়নি।’

তিনি জানান, চসিকের প্রায় সাতজন প্রকৌশলী ও চারজন স্থপতির দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ব্যস্ততম এই মোড়ে পথচারীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে চারদিক থেকে ওঠা-নামার সুবিধা রেখে নকশাটি তৈরি করা হয়েছে। আশপাশের স্কুল, হাসপাতাল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক পথচারীর জন্য ব্রিজটি অত্যন্ত জরুরি।

সমালোচকদের তথ্যভিত্তিক মন্তব্যের পরামর্শ দিয়ে মেয়র বলেন, ‘যেকোনো ভালো উদ্যোগ নিলেই একটি মহল অনর্থক সমালোচনা শুরু করে। কোনো বিশেষজ্ঞের সংশয় থাকলে সরাসরি চসিকের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা স্বাগত জানাই।’

সব বাধা পেরিয়ে চলতি মাসের ২৫ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে ফুটওভার ব্রিজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে মেয়র জিইসি মোড় থেকে গোলপাহাড় পর্যন্ত সড়কে উচ্ছেদ অভিযান চালান। এ সময় ফুটপাত দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো দখলমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেন মেয়র।

এ সময় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত