সংবাদ

আজ এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করছে বিমান


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম

আজ এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করছে বিমান
ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও এয়ারবাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বহর সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এয়ারবাসের কাছ থেকে চারটি ওয়াইড-বডি ‘এ৩৫০-৯০০’ এবং ছয়টি ন্যারো-বডি ‘এ৩২১নিও’ মডেলের জেট কেনা হচ্ছে। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি সম্পাদিত হবে। বিমা‌নের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জার্গেন ওয়েস্টারমেয়ার নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে, চুক্তিবদ্ধ উড়োজাহাজগুলো দ্রুত হস্তান্তরের তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী উড়োজাহাজগুলো ২০৩৩ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে পাওয়ার কথা থাকলেও, সরকার চায় ২০৩০ সালের আগেই এগুলো বিমানের বহরে যুক্ত হোক। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে বিশ্বখ্যাত সংস্থা লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এই দ্রুত সরবরাহের তাগিদ দেন।

একইসঙ্গে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) খাতে লুফথানসার বিনিয়োগ এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে যৌথভাবে কাজের আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। পাশাপাশি ২০১৭ সাল থেকে কার্গো পরিবহনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপিত ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ সতর্কতা প্রত্যাহারে জার্মানির কারিগরি ও নীতিগত সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এয়ারবাসের পাশাপাশি চলতি বছর মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকেও দুই দফায় মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। গত ৩০ এপ্রিল প্রথম দফায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারে ১৪টি এবং গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে দ্বিতীয় দফায় ১১টি বোয়িং কেনার চুক্তি সই হয়। বোয়িংয়ের এ উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সাল থেকে বিমান বহরে যুক্ত হতে শুরু করবে।

বর্তমানে বিমানের বহরে থাকা ১৯টি উড়োজাহাজের মধ্যে বেশ কয়েকটি বহর থেকে বাদ পড়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তাই নতুন ক্রয়চুক্তি ও লিজ নেওয়ার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগামী বছরগুলোতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর ৫০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার মেগা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


আজ এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করছে বিমান

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও এয়ারবাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বহর সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এয়ারবাসের কাছ থেকে চারটি ওয়াইড-বডি ‘এ৩৫০-৯০০’ এবং ছয়টি ন্যারো-বডি ‘এ৩২১নিও’ মডেলের জেট কেনা হচ্ছে। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি সম্পাদিত হবে। বিমা‌নের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জার্গেন ওয়েস্টারমেয়ার নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে, চুক্তিবদ্ধ উড়োজাহাজগুলো দ্রুত হস্তান্তরের তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী উড়োজাহাজগুলো ২০৩৩ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে পাওয়ার কথা থাকলেও, সরকার চায় ২০৩০ সালের আগেই এগুলো বিমানের বহরে যুক্ত হোক। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে বিশ্বখ্যাত সংস্থা লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এই দ্রুত সরবরাহের তাগিদ দেন।

একইসঙ্গে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) খাতে লুফথানসার বিনিয়োগ এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে যৌথভাবে কাজের আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। পাশাপাশি ২০১৭ সাল থেকে কার্গো পরিবহনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপিত ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ সতর্কতা প্রত্যাহারে জার্মানির কারিগরি ও নীতিগত সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এয়ারবাসের পাশাপাশি চলতি বছর মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকেও দুই দফায় মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। গত ৩০ এপ্রিল প্রথম দফায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারে ১৪টি এবং গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে দ্বিতীয় দফায় ১১টি বোয়িং কেনার চুক্তি সই হয়। বোয়িংয়ের এ উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সাল থেকে বিমান বহরে যুক্ত হতে শুরু করবে।

বর্তমানে বিমানের বহরে থাকা ১৯টি উড়োজাহাজের মধ্যে বেশ কয়েকটি বহর থেকে বাদ পড়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তাই নতুন ক্রয়চুক্তি ও লিজ নেওয়ার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগামী বছরগুলোতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর ৫০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার মেগা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত