দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলমান থাকা ইউনিটগুলোও একে একে বিকল হয়ে পড়ায় মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ থমকে যায়।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই কেন্দ্রের মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিট। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে দ্বিতীয় ইউনিটটি। তবে প্রথম ও তৃতীয় ইউনিটটি কোনোরকমে চালু রাখা হয়েছিল। প্রতিদিন প্রথম ইউনিট থেকে ৪৫–৫৫ মেগাওয়াট এবং তৃতীয় ইউনিট থেকে ১৬০–১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
পরিস্থিতি জটিল রূপ নেয় সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোরে, যখন কারিগরি গোলযোগের কারণে প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। এর ঠিক ২৪ ঘণ্টার মাথায় মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৫ মিনিটে তৃতীয় ইউনিটটিতেও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সারাদিন চেষ্টা করেও ইউনিট দুটি সচল রাখা সম্ভব হয়নি এবং মঙ্গলবার বিকেলে উভয় ইউনিটের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিট দুটি দ্রুত সচল করার জন্য চীনা প্রকৌশলীদের একটি দল ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর মাধ্যমে পূর্ণ উৎপাদনে ফিরতে পারবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, তৃতীয় ইউনিটটি চালু রাখতে দিনে প্রায় ২,৫০০ মেট্রিক টন এবং প্রথম ইউনিটের জন্য ৮০০ থেকে ৯০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হতো। কেন্দ্রটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তীব্র লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলমান থাকা ইউনিটগুলোও একে একে বিকল হয়ে পড়ায় মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ থমকে যায়।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই কেন্দ্রের মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিট। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে দ্বিতীয় ইউনিটটি। তবে প্রথম ও তৃতীয় ইউনিটটি কোনোরকমে চালু রাখা হয়েছিল। প্রতিদিন প্রথম ইউনিট থেকে ৪৫–৫৫ মেগাওয়াট এবং তৃতীয় ইউনিট থেকে ১৬০–১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
পরিস্থিতি জটিল রূপ নেয় সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোরে, যখন কারিগরি গোলযোগের কারণে প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। এর ঠিক ২৪ ঘণ্টার মাথায় মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৫ মিনিটে তৃতীয় ইউনিটটিতেও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সারাদিন চেষ্টা করেও ইউনিট দুটি সচল রাখা সম্ভব হয়নি এবং মঙ্গলবার বিকেলে উভয় ইউনিটের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিট দুটি দ্রুত সচল করার জন্য চীনা প্রকৌশলীদের একটি দল ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর মাধ্যমে পূর্ণ উৎপাদনে ফিরতে পারবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, তৃতীয় ইউনিটটি চালু রাখতে দিনে প্রায় ২,৫০০ মেট্রিক টন এবং প্রথম ইউনিটের জন্য ৮০০ থেকে ৯০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হতো। কেন্দ্রটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তীব্র লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন