বাংলাদেশ রেলওয়েতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগে এক রেল কর্মচারীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক যুবক। বুধবার (৭ অক্টোবর) গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ভুক্তভোগী সুজন বাবু গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত সর্বানন্দ গ্রামের সুখিলাল বাবুর ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুজন বাবু জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাটে কর্মরত ওয়েম্যান মোঃ আসাদুল ইসলাম ২০১৮ সালের ১৫ মে তাকে ওয়েম্যান পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা নেন। তবে টাকা নেওয়ার পর চাকরিতে নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে আসাদুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এ ঘটনায় সুজন বাবু গাইবান্ধা আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে সুন্দরগঞ্জ আমলী আদালতে সিআর মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালতের আদেশ অবমাননা করায় পুলিশ আসাদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায়।
সংবাদ সম্মেলনে সুজন বাবু আরও অভিযোগ করেন, আসাদুল ইসলাম গ্রেফতারের আগে আক্রোশ মেটাতে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে তার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করান। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গাইবান্ধা সদর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হলে প্রায় ২৪ দিন কারাভোগ করতে হয়। জামিনে মুক্তি পেয়ে সুজন বাবু এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
সুজন বাবু জানান, আসাদুল ইসলাম ও লালমনিরহাটের আরেক রেল কর্মচারী মোঃ হেলাল হোসেন একটি প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছেন। চক্রটি রেলওয়েতে চাকরি দেওয়ার নামে বহু নিরীহ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই চক্রের সাথে রেলওয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে উল্লেখ করে তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরতসহ প্রতারকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়েতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগে এক রেল কর্মচারীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক যুবক। বুধবার (৭ অক্টোবর) গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ভুক্তভোগী সুজন বাবু গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত সর্বানন্দ গ্রামের সুখিলাল বাবুর ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুজন বাবু জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাটে কর্মরত ওয়েম্যান মোঃ আসাদুল ইসলাম ২০১৮ সালের ১৫ মে তাকে ওয়েম্যান পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা নেন। তবে টাকা নেওয়ার পর চাকরিতে নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে আসাদুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এ ঘটনায় সুজন বাবু গাইবান্ধা আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে সুন্দরগঞ্জ আমলী আদালতে সিআর মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালতের আদেশ অবমাননা করায় পুলিশ আসাদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায়।
সংবাদ সম্মেলনে সুজন বাবু আরও অভিযোগ করেন, আসাদুল ইসলাম গ্রেফতারের আগে আক্রোশ মেটাতে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে তার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করান। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গাইবান্ধা সদর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হলে প্রায় ২৪ দিন কারাভোগ করতে হয়। জামিনে মুক্তি পেয়ে সুজন বাবু এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
সুজন বাবু জানান, আসাদুল ইসলাম ও লালমনিরহাটের আরেক রেল কর্মচারী মোঃ হেলাল হোসেন একটি প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছেন। চক্রটি রেলওয়েতে চাকরি দেওয়ার নামে বহু নিরীহ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই চক্রের সাথে রেলওয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে উল্লেখ করে তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরতসহ প্রতারকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন