ত্বকে কোনো র্যাশ, ফুসকুড়ি বা দৃশ্যমান দাগ নেই, অথচ সারা শরীরে দীর্ঘদিন ধরে চুলকানি হচ্ছে - এমন পরিস্থিতিকে শুধু ত্বকের সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চুলকানি চলতে থাকলে এর পেছনে শরীরের অন্য কোনো সমস্যাও থাকতে পারে।
অনেকের ত্বক স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গেও ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি দেখা দিতে পারে। তবে চুলকানি যদি নতুন করে শুরু হয় বা সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ত্বকে দাগ না থাকলেও কেন চুলকানি?
সাধারণ ত্বকের সমস্যায় অনেক সময় লালচে দাগ, ফুসকুড়ি, শুষ্কতা বা খসখসে ভাব দেখা যায়। কিন্তু ত্বক দেখতে প্রায় স্বাভাবিক, শুধু চুলকানোর কারণে নখের আঁচড়ের দাগ রয়েছে - এমন অবস্থায় দীর্ঘদিন চুলকানি থাকলে অন্য কারণ খুঁজে দেখা দরকার।
লিভার, কিডনি ও থাইরয়েডের সমস্যার সঙ্গেও সারা শরীরে চুলকানির সম্পর্ক থাকতে পারে। লিভারের সমস্যায় হাতের তালু ও পায়ের তলায় বেশি চুলকানি দেখা দিতে পারে। কিডনির সমস্যায় রাতে সারা শরীরে চুলকানি হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া রক্তস্বল্পতা বা শরীরে আয়রনের ঘাটতিতেও চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও ত্বকে প্রভাব পড়তে পারে। রক্তে শর্করা বাড়লে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যেসব লক্ষণে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি
দীর্ঘদিনের চুলকানির সঙ্গে কিছু নির্দিষ্ট পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা প্রয়োজন। যেমন-
যে চারটি পরীক্ষা করা হয়
চুলকানির পেছনে অন্য কোনো শারীরিক কারণ রয়েছে কি না, তা খুঁজতে চারটি সাধারণ পরীক্ষা করা হয়। এগুলো হলো-
লিভার ফাংশন টেস্ট
এই পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘদিনের চুলকানির পেছনে থাকা কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
শুধু ক্রিম ব্যবহার করলেই হবে?
ত্বকে কোনো দৃশ্যমান সমস্যা না থাকলেও দীর্ঘদিন চুলকানি চলতে থাকলে শুধু ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে সেগুলো ব্যবহারে উপকার না হলে চুলকানির কারণ ত্বকের বাইরে অন্য কোথাও রয়েছে কি না, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
ত্বকে কোনো র্যাশ, ফুসকুড়ি বা দৃশ্যমান দাগ নেই, অথচ সারা শরীরে দীর্ঘদিন ধরে চুলকানি হচ্ছে - এমন পরিস্থিতিকে শুধু ত্বকের সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চুলকানি চলতে থাকলে এর পেছনে শরীরের অন্য কোনো সমস্যাও থাকতে পারে।
অনেকের ত্বক স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গেও ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি দেখা দিতে পারে। তবে চুলকানি যদি নতুন করে শুরু হয় বা সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ত্বকে দাগ না থাকলেও কেন চুলকানি?
সাধারণ ত্বকের সমস্যায় অনেক সময় লালচে দাগ, ফুসকুড়ি, শুষ্কতা বা খসখসে ভাব দেখা যায়। কিন্তু ত্বক দেখতে প্রায় স্বাভাবিক, শুধু চুলকানোর কারণে নখের আঁচড়ের দাগ রয়েছে - এমন অবস্থায় দীর্ঘদিন চুলকানি থাকলে অন্য কারণ খুঁজে দেখা দরকার।
লিভার, কিডনি ও থাইরয়েডের সমস্যার সঙ্গেও সারা শরীরে চুলকানির সম্পর্ক থাকতে পারে। লিভারের সমস্যায় হাতের তালু ও পায়ের তলায় বেশি চুলকানি দেখা দিতে পারে। কিডনির সমস্যায় রাতে সারা শরীরে চুলকানি হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া রক্তস্বল্পতা বা শরীরে আয়রনের ঘাটতিতেও চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও ত্বকে প্রভাব পড়তে পারে। রক্তে শর্করা বাড়লে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যেসব লক্ষণে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি
দীর্ঘদিনের চুলকানির সঙ্গে কিছু নির্দিষ্ট পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা প্রয়োজন। যেমন-
যে চারটি পরীক্ষা করা হয়
চুলকানির পেছনে অন্য কোনো শারীরিক কারণ রয়েছে কি না, তা খুঁজতে চারটি সাধারণ পরীক্ষা করা হয়। এগুলো হলো-
লিভার ফাংশন টেস্ট
এই পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘদিনের চুলকানির পেছনে থাকা কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
শুধু ক্রিম ব্যবহার করলেই হবে?
ত্বকে কোনো দৃশ্যমান সমস্যা না থাকলেও দীর্ঘদিন চুলকানি চলতে থাকলে শুধু ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে সেগুলো ব্যবহারে উপকার না হলে চুলকানির কারণ ত্বকের বাইরে অন্য কোথাও রয়েছে কি না, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন