পিরোজপুরের নেছারাবাদে কাঠবোঝাই ভ্যান উল্টে মো. স্বপন (৫০) নামের এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ সময় ভ্যানে থাকা তার চার বছরের মা-হারা ছেলে নাঈম ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। সে এখন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার খবর পেয়ে আহত শিশুটির চিকিৎসার জন্য নগদ ৪০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাঠিয়েছেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। বুধবার দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক আহমেদ এই অর্থ নিহত স্বপনের পরিবারের হাতে তুলে দেন।
ইউএনও আশিক আহমেদ বলেন, ‘দুর্ঘটনায় শিশুটি গুরুতর আহত হয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে প্রতিমন্ত্রী ও উপজেলা প্রশাসন পরিবারটির পাশে থাকবে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল স্বপন সোহাগদল উপজেলার বছরাকাঠি এলাকার একটি কাঠের দোকান থেকে চেরাই কাঠ ভ্যানগাড়িতে বোঝাই করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তার সঙ্গে ছিল ছোট ছেলে নাঈম। হাজীরপুল এলাকার স্টিলব্রিজের ঢালে ওঠার সময় ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালের পাড়ে গোলকাঠের ওপর উল্টে পড়ে। এতে ভ্যান ও কাঠের নিচে চাপা পড়েন স্বপন এবং পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় নাঈম।
উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক স্বপনকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাঈমকে প্রথমে বরিশাল এবং পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নাঈমের চাচা মো. সাদ্দাম জানান, প্রায় আট মাস আগে সাদ্দামের মা তাদের ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে স্বপন ছেলেকে সব সময় কাজের স্থানেও সঙ্গে রাখতেন। দুর্ঘটনায় চিকিৎসাধীন নাঈমের কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে এবং বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। প্রতিমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তায় তার চিকিৎসা চালানো সহজ হবে জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে পরিবার।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে কাঠবোঝাই ভ্যান উল্টে মো. স্বপন (৫০) নামের এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ সময় ভ্যানে থাকা তার চার বছরের মা-হারা ছেলে নাঈম ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। সে এখন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার খবর পেয়ে আহত শিশুটির চিকিৎসার জন্য নগদ ৪০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাঠিয়েছেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। বুধবার দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক আহমেদ এই অর্থ নিহত স্বপনের পরিবারের হাতে তুলে দেন।
ইউএনও আশিক আহমেদ বলেন, ‘দুর্ঘটনায় শিশুটি গুরুতর আহত হয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে প্রতিমন্ত্রী ও উপজেলা প্রশাসন পরিবারটির পাশে থাকবে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল স্বপন সোহাগদল উপজেলার বছরাকাঠি এলাকার একটি কাঠের দোকান থেকে চেরাই কাঠ ভ্যানগাড়িতে বোঝাই করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তার সঙ্গে ছিল ছোট ছেলে নাঈম। হাজীরপুল এলাকার স্টিলব্রিজের ঢালে ওঠার সময় ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালের পাড়ে গোলকাঠের ওপর উল্টে পড়ে। এতে ভ্যান ও কাঠের নিচে চাপা পড়েন স্বপন এবং পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় নাঈম।
উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক স্বপনকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাঈমকে প্রথমে বরিশাল এবং পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নাঈমের চাচা মো. সাদ্দাম জানান, প্রায় আট মাস আগে সাদ্দামের মা তাদের ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে স্বপন ছেলেকে সব সময় কাজের স্থানেও সঙ্গে রাখতেন। দুর্ঘটনায় চিকিৎসাধীন নাঈমের কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে এবং বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। প্রতিমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তায় তার চিকিৎসা চালানো সহজ হবে জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন