গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে আটজন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৬০ জন। বুধবার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে দুজন করে এবং বরিশাল ও সিলেট বিভাগে একজন মারা গেছেন। মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে পাঁচজন নারী ও তিনজন পুরুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৮৯ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ৯২ হাজার ২১৬ জনের।
এর আগে গত ৬ অক্টোবর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে ভর্তি হন এক হাজার ৯৯৬ জন। ওই দিন পর্যন্ত চলতি বছর মোট মৃত্যু ছিল ২৮১ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯০ হাজার ৩৫৬ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক মৃত্যুর প্রধান দশটি কারণের মধ্যে আটটিই ছিল অসংক্রামক রোগ। তবে ডেঙ্গুর মতো ভেক্টরবাহিত রোগও দক্ষিণ এশিয়ায় বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে চাপও বাড়ছে। এডিস মশার প্রজনন বন্ধে সিটি করপোরেশনগুলোকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে আটজন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৬০ জন। বুধবার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে দুজন করে এবং বরিশাল ও সিলেট বিভাগে একজন মারা গেছেন। মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে পাঁচজন নারী ও তিনজন পুরুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৮৯ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ৯২ হাজার ২১৬ জনের।
এর আগে গত ৬ অক্টোবর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে ভর্তি হন এক হাজার ৯৯৬ জন। ওই দিন পর্যন্ত চলতি বছর মোট মৃত্যু ছিল ২৮১ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯০ হাজার ৩৫৬ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক মৃত্যুর প্রধান দশটি কারণের মধ্যে আটটিই ছিল অসংক্রামক রোগ। তবে ডেঙ্গুর মতো ভেক্টরবাহিত রোগও দক্ষিণ এশিয়ায় বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে চাপও বাড়ছে। এডিস মশার প্রজনন বন্ধে সিটি করপোরেশনগুলোকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন