ফেনীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। চলতি বছরের ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২০ জনে। এর মধ্যে শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই শনাক্ত হয়েছেন ৪৯৭ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৫ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪৫ জন রোগী।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া ৮ অক্টোবরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২২১ জনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়। এতে সরকারি হাসপাতালে ২২ জন এবং বেসরকারি ল্যাবে ৩ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।
উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ফেনী সদরে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - চলতি বছর এ পর্যন্ত এখানে ৬৮৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া সোনাগাজীতে ৭৯, দাগনভূঞায় ৬৪, ছাগলনাইয়ায় ৪৫, পরশুরামে ২৭ এবং ফুলগাজীতে ১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৩২ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৮৭ জন। বর্তমানে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ৩৯ জন, দাগনভূঞায় ৩ জন এবং সোনাগাজী, ছাগলনাইয়া ও পরশুরামে ১ জন করে রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। জেলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ফেনী পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে মশা নিধন কার্যক্রম চালানোর কথা জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, ফলে মশা নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মো. রোকন উদ দৌলা জানান, হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি থাকায় সীমিত জনবল দিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে। ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামান জানান, জেলায় বর্তমানে ৫ হাজার ৪৪টি ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট মজুত রয়েছে। সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ ও এডিস মশার বংশবিস্তার রোধের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ফেনীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। চলতি বছরের ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২০ জনে। এর মধ্যে শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই শনাক্ত হয়েছেন ৪৯৭ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৫ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪৫ জন রোগী।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া ৮ অক্টোবরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২২১ জনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়। এতে সরকারি হাসপাতালে ২২ জন এবং বেসরকারি ল্যাবে ৩ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।
উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ফেনী সদরে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - চলতি বছর এ পর্যন্ত এখানে ৬৮৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া সোনাগাজীতে ৭৯, দাগনভূঞায় ৬৪, ছাগলনাইয়ায় ৪৫, পরশুরামে ২৭ এবং ফুলগাজীতে ১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৩২ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৮৭ জন। বর্তমানে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ৩৯ জন, দাগনভূঞায় ৩ জন এবং সোনাগাজী, ছাগলনাইয়া ও পরশুরামে ১ জন করে রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। জেলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ফেনী পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে মশা নিধন কার্যক্রম চালানোর কথা জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, ফলে মশা নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মো. রোকন উদ দৌলা জানান, হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি থাকায় সীমিত জনবল দিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে। ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামান জানান, জেলায় বর্তমানে ৫ হাজার ৪৪টি ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট মজুত রয়েছে। সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ ও এডিস মশার বংশবিস্তার রোধের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন