২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আইনি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দক্ষিণ আফ্রিকার বিশিষ্ট আইনবিদ নাভানেথেম নাভি পিল্লাই।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান জর্গেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কারের বিজয়ী হিসেবে ৮৫ বছর বয়সী এই সাবেক মানবাধিকার কমিশনারের নাম ঘোষণা করেন। আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুরক্ষায় আজীবন অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সর্বোচ্চ বিশ্ব সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত নাভি পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম অ-শ্বেতাঙ্গ নারী বিচারক হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই আইনজ্ঞ ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার (জাতিসংঘের মানবাধিকারপ্রধান) হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিচারক এবং রুয়ান্ডা বিষয়ক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত থেকে আন্তর্জাতিক বিচার সুসংহত করতে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখেন।
নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানায়, বিশ্ব শান্তির ১২৫তম বার্ষিকীর ঐতিহাসিক এই বছরে ২৮৭ জন ব্যক্তি ও সংস্থার মনোনয়ন জমা পড়েছিল। বৈশ্বিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করতে নাভি পিল্লাইয়ের নিরলস পথচলাকে মূল্যায়ন করেই এ বছর তাকে বিশ্ব শান্তির অন্যতম শীর্ষ পদকে ভূষিত করা হলো।
উল্লেখ্য, এর আগের বছর (২০২৫ সালে) ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক উত্তরণের সংগ্রামে নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো।
/

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আইনি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দক্ষিণ আফ্রিকার বিশিষ্ট আইনবিদ নাভানেথেম নাভি পিল্লাই।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান জর্গেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কারের বিজয়ী হিসেবে ৮৫ বছর বয়সী এই সাবেক মানবাধিকার কমিশনারের নাম ঘোষণা করেন। আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুরক্ষায় আজীবন অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সর্বোচ্চ বিশ্ব সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত নাভি পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম অ-শ্বেতাঙ্গ নারী বিচারক হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই আইনজ্ঞ ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার (জাতিসংঘের মানবাধিকারপ্রধান) হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিচারক এবং রুয়ান্ডা বিষয়ক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত থেকে আন্তর্জাতিক বিচার সুসংহত করতে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখেন।
নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানায়, বিশ্ব শান্তির ১২৫তম বার্ষিকীর ঐতিহাসিক এই বছরে ২৮৭ জন ব্যক্তি ও সংস্থার মনোনয়ন জমা পড়েছিল। বৈশ্বিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করতে নাভি পিল্লাইয়ের নিরলস পথচলাকে মূল্যায়ন করেই এ বছর তাকে বিশ্ব শান্তির অন্যতম শীর্ষ পদকে ভূষিত করা হলো।
উল্লেখ্য, এর আগের বছর (২০২৫ সালে) ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক উত্তরণের সংগ্রামে নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো।
/

আপনার মতামত লিখুন