রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের অপসারণের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ শুরু হয়েছে। সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর ফলে খাগড়াছড়িতে আটকা পড়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন শত শত পর্যটক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। এর ফলে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালাগামী সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অবরোধের কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাতে খাগড়াছড়ি এসে পৌঁছানো বিপুলসংখ্যক পর্যটক সাজেক যাওয়ার সকালের নির্ধারিত স্লট বাতিল হওয়ায় খাগড়াছড়ির রাস্তায় ব্যাগ-হ্যান্ডব্যাগ হাতে অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। নারী ও শিশুদের নিয়ে আসা পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। অনেকে বাড়তি অর্থ খরচ করে স্থানীয় হোটেল-মোটেল ও রেস্টহাউসে সাময়িক আশ্রয় নিয়েছেন।
সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা জানান, জেএসএস নামধারী সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তারা এই অবরোধের ডাক দিয়েছেন এবং সরকার দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এদিকে খাগড়াছড়ি সড়ক পরিবহন জিপ মালিক সমিতি ও যানবাহন কল্যাণ সমিতির সাজেক কাউন্টারের লাইনম্যান মো. আরিফ জানিয়েছেন, আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে দুপুর ১২টার দিকে বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনী বা প্রহরার মাধ্যমে খাগড়াছড়ি থেকে তাদের সাজেকে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, অবরোধের কারণে দুপুরের দিকে একবার বিশেষ স্কর্টে সাজেক থেকে পর্যটকদের নামানো ও নতুন পর্যটকদের প্রবেশের ব্যবস্থা হতে পারে।
/

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের অপসারণের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ শুরু হয়েছে। সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এর ফলে খাগড়াছড়িতে আটকা পড়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন শত শত পর্যটক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। এর ফলে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালাগামী সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অবরোধের কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাতে খাগড়াছড়ি এসে পৌঁছানো বিপুলসংখ্যক পর্যটক সাজেক যাওয়ার সকালের নির্ধারিত স্লট বাতিল হওয়ায় খাগড়াছড়ির রাস্তায় ব্যাগ-হ্যান্ডব্যাগ হাতে অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। নারী ও শিশুদের নিয়ে আসা পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। অনেকে বাড়তি অর্থ খরচ করে স্থানীয় হোটেল-মোটেল ও রেস্টহাউসে সাময়িক আশ্রয় নিয়েছেন।
সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা জানান, জেএসএস নামধারী সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তারা এই অবরোধের ডাক দিয়েছেন এবং সরকার দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এদিকে খাগড়াছড়ি সড়ক পরিবহন জিপ মালিক সমিতি ও যানবাহন কল্যাণ সমিতির সাজেক কাউন্টারের লাইনম্যান মো. আরিফ জানিয়েছেন, আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে দুপুর ১২টার দিকে বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনী বা প্রহরার মাধ্যমে খাগড়াছড়ি থেকে তাদের সাজেকে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, অবরোধের কারণে দুপুরের দিকে একবার বিশেষ স্কর্টে সাজেক থেকে পর্যটকদের নামানো ও নতুন পর্যটকদের প্রবেশের ব্যবস্থা হতে পারে।
/

আপনার মতামত লিখুন