সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় এক কলেজ শিক্ষক ও তার একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে ডেকে নিয়ে গাছে বেঁধে বর্বরোচিত নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার নকিপুর গ্রামে উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙুরের বাড়িতে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা হলেন - কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের প্রভাষক মো. শামছুজ্জামান রানা ও তার ছেলে সজীব হোসেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষক শামছুজ্জামান রানা জানান, তাদের প্রতিবেশী আব্দুর রহমান রানা এলাকায় মাদকের কারবারে জড়িত। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের ১০-১২ জন সদস্যকে নিয়ে সে এলাকায় মাদকের আসর বসায়। তারা এর প্রতিবাদ করলে যুবদল নেতা আঙুর শনিবার সকালে তার লোকজনকে দিয়ে বাবা-ছেলেকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাদের গামছা দিয়ে চোখ-মুখ বেঁধে গাছের সঙ্গে আটকে বেধড়ক মারধর ও নির্যাতন চালানো হয়। এ সময় র্যাঞ্চের আঘাতে ছেলে সজীবের মাথা ফেটে যায় এবং গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাকির হোসেন জানান, আহত সজীবের মাথায় তিনটি সেলাই পড়েছে এবং তার গলায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
অভিযুক্ত যুবদল নেতা আনোয়ারুল ইসলাম আঙুরের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে তার সহযোগী আবদুল্লাহ দাবি করেন, ‘নেতার বাড়িতে বসে উচ্চবাচ্য করায় সামান্য শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম জানান, বিষয়টিতে লিখিত অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের সঙ্গে জড়িত বা সহায়তাকারীদের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদক কারবারের প্রতিবাদ করায় এক কলেজ শিক্ষক ও তার একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে ডেকে নিয়ে গাছে বেঁধে বর্বরোচিত নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার নকিপুর গ্রামে উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙুরের বাড়িতে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা হলেন - কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের প্রভাষক মো. শামছুজ্জামান রানা ও তার ছেলে সজীব হোসেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষক শামছুজ্জামান রানা জানান, তাদের প্রতিবেশী আব্দুর রহমান রানা এলাকায় মাদকের কারবারে জড়িত। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের ১০-১২ জন সদস্যকে নিয়ে সে এলাকায় মাদকের আসর বসায়। তারা এর প্রতিবাদ করলে যুবদল নেতা আঙুর শনিবার সকালে তার লোকজনকে দিয়ে বাবা-ছেলেকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাদের গামছা দিয়ে চোখ-মুখ বেঁধে গাছের সঙ্গে আটকে বেধড়ক মারধর ও নির্যাতন চালানো হয়। এ সময় র্যাঞ্চের আঘাতে ছেলে সজীবের মাথা ফেটে যায় এবং গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাকির হোসেন জানান, আহত সজীবের মাথায় তিনটি সেলাই পড়েছে এবং তার গলায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
অভিযুক্ত যুবদল নেতা আনোয়ারুল ইসলাম আঙুরের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে তার সহযোগী আবদুল্লাহ দাবি করেন, ‘নেতার বাড়িতে বসে উচ্চবাচ্য করায় সামান্য শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।’
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম জানান, বিষয়টিতে লিখিত অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের সঙ্গে জড়িত বা সহায়তাকারীদের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না।

আপনার মতামত লিখুন