ঢাকার নবাবগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর পিয়ারা মাঝি (৪৮) নামে এক নারী সবজি বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ।
নিহত পিয়ারা মাঝি উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের চর খুলসী গ্রামের দয়াল মাঝির স্ত্রী।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, পিয়ারা মাঝি একজন পেশাদার সবজি বিক্রেতা ছিলেন। তিনি বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজি সংগ্রহ করে ছোট গোল্লা ও কৃষ্ণনগর গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতেন। প্রতিদিনের মতো গত শনিবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে সবজি বিক্রির উদ্দেশ্যে বের হন। তবে বিকেল পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরের দিন (রোববার) সকালে উপজেলার মহিষ্যপুর গ্রামের বৃন্দাবনের একটি আবাদী জমির পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি আবু হানিফ জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার নবাবগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর পিয়ারা মাঝি (৪৮) নামে এক নারী সবজি বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ।
নিহত পিয়ারা মাঝি উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের চর খুলসী গ্রামের দয়াল মাঝির স্ত্রী।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, পিয়ারা মাঝি একজন পেশাদার সবজি বিক্রেতা ছিলেন। তিনি বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজি সংগ্রহ করে ছোট গোল্লা ও কৃষ্ণনগর গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতেন। প্রতিদিনের মতো গত শনিবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে সবজি বিক্রির উদ্দেশ্যে বের হন। তবে বিকেল পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরের দিন (রোববার) সকালে উপজেলার মহিষ্যপুর গ্রামের বৃন্দাবনের একটি আবাদী জমির পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি আবু হানিফ জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন