রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ জোরদার করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় শেরেবাংলা নগরের সাবেক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার মাঠে নতুন এই সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বর্তমান সচিবালয় চত্বরে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালতসমূহ স্থানান্তর করা হবে। প্রায় ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতোমধ্যে নতুন সচিবালয়ের লে-আউট ও নকশা প্রস্তুত করেছে, যা প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনার পর তার দেওয়া পরামর্শ অনুসারে চূড়ান্ত রূপ পাচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়সীমা ধরা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। প্রকল্পটি শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সকল প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী নিজে নতুন সচিবালয় নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সকল প্রশাসনিক দপ্তর নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তর সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ জোরদার করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় শেরেবাংলা নগরের সাবেক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার মাঠে নতুন এই সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বর্তমান সচিবালয় চত্বরে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালতসমূহ স্থানান্তর করা হবে। প্রায় ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতোমধ্যে নতুন সচিবালয়ের লে-আউট ও নকশা প্রস্তুত করেছে, যা প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনার পর তার দেওয়া পরামর্শ অনুসারে চূড়ান্ত রূপ পাচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়সীমা ধরা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। প্রকল্পটি শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সকল প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী নিজে নতুন সচিবালয় নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সকল প্রশাসনিক দপ্তর নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তর সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন