চুইংগাম চিবানো অনেকের দৈনন্দিন অভ্যাস। পরিমিত পরিমাণে চিনি-মুক্ত চুইংগাম দাঁতের সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে মুখ শুষ্ক থাকলে এটি লালা উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বা অতিরিক্ত চিবানোর অভ্যাস থেকে চোয়ালের সন্ধি ও পেশিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চুইংগাম যেভাবে উপকার করে
চুইংগাম চিবানোর সময় মুখে লালা উৎপাদন প্রায় ১০ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। লালা মুখের ব্যাকটেরিয়ার তৈরি ক্ষতিকর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে। এতে দাঁতের এনামেল সুরক্ষিত থাকে। লালায় থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফেটও দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
এ ছাড়া চুইংগাম চিবানোর আরও কিছু সম্ভাব্য উপকার রয়েছে:
অতিরিক্ত চিবালে যেসব সমস্যা হতে পারে
চুইংগামে চিনি থাকলে দাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। অন্যদিকে, দীর্ঘ সময় ধরে চিবানোর কারণে চোয়ালের সন্ধি ও সংশ্লিষ্ট পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
এর ফলে চোয়ালে ক্লিকের মতো শব্দ, মাথাব্যথা এবং কান বা চোয়ালে ব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া সরবিটলের মতো কৃত্রিম মিষ্টিকারকযুক্ত চুইংগাম খেলে কারও কারও ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে।
যাঁদের চুইংগাম চিবানো এড়িয়ে চলা উচিত
কিছু ক্ষেত্রে চুইংগাম চিবানো সমস্যা বাড়াতে পারে। সম্প্রতি দাঁতে ফিলিং বা ইমপ্ল্যান্ট করানো কিংবা ব্রেস লাগানো থাকলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। একইভাবে, চোয়ালের সন্ধির সমস্যা বা টিএমডি, রাতে দাঁত কিড়মিড় করার অভ্যাস কিংবা মাইগ্রেন থাকলেও চুইংগাম এড়িয়ে চলা ভালো।
ছোট শিশু এবং যাঁদের গিলতে সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে চুইংগাম গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও বিবেচনায় রাখতে হবে।
নিরাপদে চুইংগাম চিবানোর পরামর্শ
চুইংগাম চিবানোর ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো পরিমিতি। সঠিক ধরনের চুইংগাম বেছে নেওয়া এবং দীর্ঘ সময় ধরে না চিবানোর অভ্যাস দাঁতের সম্ভাব্য উপকার বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
চুইংগাম চিবানো অনেকের দৈনন্দিন অভ্যাস। পরিমিত পরিমাণে চিনি-মুক্ত চুইংগাম দাঁতের সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে মুখ শুষ্ক থাকলে এটি লালা উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বা অতিরিক্ত চিবানোর অভ্যাস থেকে চোয়ালের সন্ধি ও পেশিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চুইংগাম যেভাবে উপকার করে
চুইংগাম চিবানোর সময় মুখে লালা উৎপাদন প্রায় ১০ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। লালা মুখের ব্যাকটেরিয়ার তৈরি ক্ষতিকর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে। এতে দাঁতের এনামেল সুরক্ষিত থাকে। লালায় থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফেটও দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
এ ছাড়া চুইংগাম চিবানোর আরও কিছু সম্ভাব্য উপকার রয়েছে:
অতিরিক্ত চিবালে যেসব সমস্যা হতে পারে
চুইংগামে চিনি থাকলে দাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। অন্যদিকে, দীর্ঘ সময় ধরে চিবানোর কারণে চোয়ালের সন্ধি ও সংশ্লিষ্ট পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
এর ফলে চোয়ালে ক্লিকের মতো শব্দ, মাথাব্যথা এবং কান বা চোয়ালে ব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া সরবিটলের মতো কৃত্রিম মিষ্টিকারকযুক্ত চুইংগাম খেলে কারও কারও ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে।
যাঁদের চুইংগাম চিবানো এড়িয়ে চলা উচিত
কিছু ক্ষেত্রে চুইংগাম চিবানো সমস্যা বাড়াতে পারে। সম্প্রতি দাঁতে ফিলিং বা ইমপ্ল্যান্ট করানো কিংবা ব্রেস লাগানো থাকলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। একইভাবে, চোয়ালের সন্ধির সমস্যা বা টিএমডি, রাতে দাঁত কিড়মিড় করার অভ্যাস কিংবা মাইগ্রেন থাকলেও চুইংগাম এড়িয়ে চলা ভালো।
ছোট শিশু এবং যাঁদের গিলতে সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে চুইংগাম গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও বিবেচনায় রাখতে হবে।
নিরাপদে চুইংগাম চিবানোর পরামর্শ
চুইংগাম চিবানোর ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো পরিমিতি। সঠিক ধরনের চুইংগাম বেছে নেওয়া এবং দীর্ঘ সময় ধরে না চিবানোর অভ্যাস দাঁতের সম্ভাব্য উপকার বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন