টানা কয়েকদিনের ঘন মেঘ আর কুয়াশার কুৎসিত আবরণ ভেদ করে পঞ্চগড়ের উত্তরের সীমান্ত উপজেলা তেঁতুলিয়ায় আবারও স্পষ্ট ও দৃশ্যমান হয়েছে হিমালয়ের বরফে ঢাকা বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
গত রবিবার ও আজ সোমবার ভোরের প্রথম সূর্যোদয়ের ঠিক পরপরই তেঁতুলিয়ার বিভিন্ন দর্শনীয় পয়েন্ট থেকে সাধারণ মানুষের খালি চোখে এই তুষারশুভ্র পাহাড়ের অপরূপ রূপ দেখা মিলছে। এতে করে হঠাৎ করেই দেশের সর্বউত্তরের এই পর্যটন নগরীতে ভ্রমণপিপাসী পর্যটকদের উপচে পড়া ঢল নেমেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে কয়েকবার উঁকি দিলেও গত এক সপ্তাহ ধরে আকাশ সম্পূর্ণ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছিল না। এর ফলে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং দেশের দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসা অসংখ্য পর্যটক পাহাড় না দেখেই নিরাশ মনে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন।
তবে হঠাৎ করেই আবহাওয়া পরিষ্কার হয়ে যাওয়ায় রবিবার ও সোমবার সকালে তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, ঐতিহাসিক বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ও শালবাহান এলাকার বিভিন্ন খোলা স্থান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার সেই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সবার চোখে ধরা দেয়।
পর্যটকদের এই হঠাৎ আকস্মিক আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ছোট-বড় আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে শতভাগ রুম বুকিং শুরু হয়ে গেছে। এ বিষয়ে পর্যটন ব্যবসায়ীরা আনন্দ প্রকাশ করে জানান, কাঞ্চনজঙ্ঘার নতুন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মুহূর্তেই ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে হোটেল বুকিং সংক্রান্ত ফোন কলের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, মূলত বায়ুমণ্ডলে কুয়াশা ও মেঘের ঘনত্ব হঠাৎ করে কমে যাওয়ায় দৃশ্যমানতা বহুলাংশে বেড়ে গেছে। আকাশ এভাবেই পরিষ্কার ও মেঘমুক্ত থাকলে আগামী কয়েকদিন ধরে নিয়মিতভাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। তুষারশুভ্র এই পাহাড়ের গায়ে ভোরের সোনালী সূর্যের আলোর লুকোচুরি খেলা নিজ চোখে দেখতে এখন মুখিয়ে আছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কয়েক হাজার পর্যটক।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসাইন গণমাধ্যমকে জানান, “পর্যটন মৌসুমে তেঁতুলিয়ায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা যাতে নিরাপদে অবস্থান করতে পারেন এবং কোনো ধরনের হয়রানি বা প্রতারণার শিকার না হন, সে লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।”

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
টানা কয়েকদিনের ঘন মেঘ আর কুয়াশার কুৎসিত আবরণ ভেদ করে পঞ্চগড়ের উত্তরের সীমান্ত উপজেলা তেঁতুলিয়ায় আবারও স্পষ্ট ও দৃশ্যমান হয়েছে হিমালয়ের বরফে ঢাকা বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা।
গত রবিবার ও আজ সোমবার ভোরের প্রথম সূর্যোদয়ের ঠিক পরপরই তেঁতুলিয়ার বিভিন্ন দর্শনীয় পয়েন্ট থেকে সাধারণ মানুষের খালি চোখে এই তুষারশুভ্র পাহাড়ের অপরূপ রূপ দেখা মিলছে। এতে করে হঠাৎ করেই দেশের সর্বউত্তরের এই পর্যটন নগরীতে ভ্রমণপিপাসী পর্যটকদের উপচে পড়া ঢল নেমেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে কয়েকবার উঁকি দিলেও গত এক সপ্তাহ ধরে আকাশ সম্পূর্ণ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছিল না। এর ফলে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং দেশের দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসা অসংখ্য পর্যটক পাহাড় না দেখেই নিরাশ মনে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন।
তবে হঠাৎ করেই আবহাওয়া পরিষ্কার হয়ে যাওয়ায় রবিবার ও সোমবার সকালে তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, ঐতিহাসিক বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ও শালবাহান এলাকার বিভিন্ন খোলা স্থান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার সেই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সবার চোখে ধরা দেয়।
পর্যটকদের এই হঠাৎ আকস্মিক আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ছোট-বড় আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে শতভাগ রুম বুকিং শুরু হয়ে গেছে। এ বিষয়ে পর্যটন ব্যবসায়ীরা আনন্দ প্রকাশ করে জানান, কাঞ্চনজঙ্ঘার নতুন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মুহূর্তেই ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে হোটেল বুকিং সংক্রান্ত ফোন কলের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, মূলত বায়ুমণ্ডলে কুয়াশা ও মেঘের ঘনত্ব হঠাৎ করে কমে যাওয়ায় দৃশ্যমানতা বহুলাংশে বেড়ে গেছে। আকাশ এভাবেই পরিষ্কার ও মেঘমুক্ত থাকলে আগামী কয়েকদিন ধরে নিয়মিতভাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। তুষারশুভ্র এই পাহাড়ের গায়ে ভোরের সোনালী সূর্যের আলোর লুকোচুরি খেলা নিজ চোখে দেখতে এখন মুখিয়ে আছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কয়েক হাজার পর্যটক।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসাইন গণমাধ্যমকে জানান, “পর্যটন মৌসুমে তেঁতুলিয়ায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা যাতে নিরাপদে অবস্থান করতে পারেন এবং কোনো ধরনের হয়রানি বা প্রতারণার শিকার না হন, সে লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন