টাঙ্গাইলের সখিপুরে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে অন্তত ১ হাজার ৬০০ মুরগির মৃত্যু হয়েছে। এতে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের চারটি খামারের মালিকেরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় এই অগ্নিকাণ্ড ও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটে বলে খামারসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা হলেন- নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ফারুক আল ফরহাদ, মনির হোসেন, আব্দুল হাই মাওলানা এবং আব্দুল হক। তাদের মধ্যে ফারুক আল ফরহাদের ৪০০টির বেশি, মনির হোসেনের ৪৫০টির বেশি, আব্দুল হাই মাওলানার ৪৫০টির বেশি এবং আব্দুল হকের ৩০০টির বেশি মুরগি মারা গেছে। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্যান্য খামারির মুরগিও মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
খামারমালিকদের মতে, দুপুরে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় খামারে ফ্যান বন্ধ হয়ে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়। ফলশ্রুতিতে তীব্র গরমে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে একের পর এক মুরগির মৃত্যু ঘটে।
এ বিষয়ে সখিপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী রাসেল রানা জানান, টাঙ্গাইল গ্রিডে প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ চলছিল। পাশাপাশি সখিপুরের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় আকস্মিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেগুলো সারাই করে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শত শত মুরগির মৃত্যুতে নিঃস্ব হওয়ার পথে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের মোট আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে অন্তত ১ হাজার ৬০০ মুরগির মৃত্যু হয়েছে। এতে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের চারটি খামারের মালিকেরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় এই অগ্নিকাণ্ড ও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটে বলে খামারসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা হলেন- নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ফারুক আল ফরহাদ, মনির হোসেন, আব্দুল হাই মাওলানা এবং আব্দুল হক। তাদের মধ্যে ফারুক আল ফরহাদের ৪০০টির বেশি, মনির হোসেনের ৪৫০টির বেশি, আব্দুল হাই মাওলানার ৪৫০টির বেশি এবং আব্দুল হকের ৩০০টির বেশি মুরগি মারা গেছে। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্যান্য খামারির মুরগিও মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
খামারমালিকদের মতে, দুপুরে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় খামারে ফ্যান বন্ধ হয়ে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়। ফলশ্রুতিতে তীব্র গরমে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে একের পর এক মুরগির মৃত্যু ঘটে।
এ বিষয়ে সখিপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী রাসেল রানা জানান, টাঙ্গাইল গ্রিডে প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ চলছিল। পাশাপাশি সখিপুরের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় আকস্মিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেগুলো সারাই করে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শত শত মুরগির মৃত্যুতে নিঃস্ব হওয়ার পথে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের মোট আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন