আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রাক্সি বা প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। তবে বর্তমানে আইন বিভাগে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় এই নতুন নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর করা হচ্ছে না; আগামী ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নির্ধারিত এই বয়সসীমা বলবৎ হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপন আকারে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আইনজীবী হওয়ার তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩৫ বছর। তবে বর্তমানে এলএলবি কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা যাতে পড়ালেখা শেষ করে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পান, সে জন্য সিদ্ধান্তটি ২০৩০ সাল থেকে কার্যকরের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
ওই তারিখ থেকে তালিকাভুক্তির নতুন আবেদন গ্রহণ, যোগ্যতা যাচাই ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য সব প্রক্রিয়ায় এই ৩৫ বছরের সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে বলে বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আইন পেশায় আত্মনিয়োগ করতে হলে নির্ধারিত একাডেমিক যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি বার কাউন্সিলের অধীনে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তালিকাভুক্ত হতে হয়। নতুন নিয়ম চালু হলে ভবিষ্যতে আইনজীবী তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বয়স একটি অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
/

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রাক্সি বা প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। তবে বর্তমানে আইন বিভাগে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় এই নতুন নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর করা হচ্ছে না; আগামী ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নির্ধারিত এই বয়সসীমা বলবৎ হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপন আকারে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আইনজীবী হওয়ার তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩৫ বছর। তবে বর্তমানে এলএলবি কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা যাতে পড়ালেখা শেষ করে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পান, সে জন্য সিদ্ধান্তটি ২০৩০ সাল থেকে কার্যকরের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
ওই তারিখ থেকে তালিকাভুক্তির নতুন আবেদন গ্রহণ, যোগ্যতা যাচাই ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য সব প্রক্রিয়ায় এই ৩৫ বছরের সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে বলে বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আইন পেশায় আত্মনিয়োগ করতে হলে নির্ধারিত একাডেমিক যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি বার কাউন্সিলের অধীনে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তালিকাভুক্ত হতে হয়। নতুন নিয়ম চালু হলে ভবিষ্যতে আইনজীবী তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বয়স একটি অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন