কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পাসের তুলনায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর হার বেশি। এ বছর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। আর পাসের হারকে ছাপিয়ে ফেলের হার দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৯৬ শতাংশে।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম।
শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছর কুমিল্লা বোর্ড থেকে মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৪৪ হাজার ৭২৭ জন। অর্থাৎ অকৃতকার্য হয়েছেন ৪৭ হাজার ৪৩৫ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকের বেশি অকৃতকার্য হয়েছেন।
পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ৪৩৪ জন ছাত্রী ও ৩৬ হাজার ৭২৮ জন ছাত্র অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ২৮ হাজার ৪১৫ জন ছাত্রী ও ১৫ হাজার ৮৫৭ জন ছাত্র পাস করতে পেরেছেন। পাসের হারের হিসাবেও ছাত্রীদের তুলনায় পিছিয়ে ছাত্ররা। এবার ছাত্রীদের পাসের হার ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৪৩ দশমিক ১৭ শতাংশ।
চলতি বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যেও এগিয়ে মেয়েরা। মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮২১ জন ছাত্রী এবং ৪৯২ জন ছাত্র রয়েছেন।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এ বছর বোর্ডের অধীনে শতভাগ পাস করেছে মাত্র ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্রে শূন্য পাসের (শতভাগ ফেল) তালিকায় যুক্ত হয়েছে ১৫টি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পাসের তুলনায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর হার বেশি। এ বছর বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। আর পাসের হারকে ছাপিয়ে ফেলের হার দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৯৬ শতাংশে।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম।
শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছর কুমিল্লা বোর্ড থেকে মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৪৪ হাজার ৭২৭ জন। অর্থাৎ অকৃতকার্য হয়েছেন ৪৭ হাজার ৪৩৫ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকের বেশি অকৃতকার্য হয়েছেন।
পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ৪৩৪ জন ছাত্রী ও ৩৬ হাজার ৭২৮ জন ছাত্র অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ২৮ হাজার ৪১৫ জন ছাত্রী ও ১৫ হাজার ৮৫৭ জন ছাত্র পাস করতে পেরেছেন। পাসের হারের হিসাবেও ছাত্রীদের তুলনায় পিছিয়ে ছাত্ররা। এবার ছাত্রীদের পাসের হার ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৪৩ দশমিক ১৭ শতাংশ।
চলতি বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যেও এগিয়ে মেয়েরা। মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮২১ জন ছাত্রী এবং ৪৯২ জন ছাত্র রয়েছেন।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এ বছর বোর্ডের অধীনে শতভাগ পাস করেছে মাত্র ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্রে শূন্য পাসের (শতভাগ ফেল) তালিকায় যুক্ত হয়েছে ১৫টি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি।

আপনার মতামত লিখুন