হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন শত শত মানুষ। ইতোমধ্যে অন্তত ৫০০ পরিবারের বসতবাড়ি ও বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অথচ নদীভাঙন রোধে ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কুশিয়ারা ডাইক নির্মাণ ও মেরামতের কাজ চলছে। এত বড় প্রকল্পের পরও মানুষের দুর্ভোগ কমছে না কেন, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রকল্পের কাজে অনিয়ম রয়েছে। ভাঙনকবলিত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার অনুরোধ জানানো হলেও ঠিকাদারেরা তা না করে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ স্থানে কাজ করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বক্তব্য, বাজেটের সীমাবদ্ধতায় সব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব হয়নি। পর্যায়ক্রমে বাকি কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নদীভাঙন শুধু জমি বা বসতবাড়ি হারানোর ঘটনা নয়। এর সঙ্গে হারিয়ে যায় মানুষের সারা জীবনের সঞ্চয়, জীবিকা ও নিরাপদে বেঁচে থাকার আশ্রয়। নদীভাঙন এমন একটি সমস্যা, যেখানে সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে অল্প সময়েই বড় ক্ষতি হয়ে যায়। মানুষের ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষার বিষয়টি এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রাখা যায় না। বর্ষা এলে ভাঙন বাড়ে। তাই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রকল্পের প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। প্রকল্পের নকশা, কাজের মান ও ব্যয়ের হিসাব নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা করতে হবে। অনিয়ম বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন শত শত মানুষ। ইতোমধ্যে অন্তত ৫০০ পরিবারের বসতবাড়ি ও বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অথচ নদীভাঙন রোধে ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কুশিয়ারা ডাইক নির্মাণ ও মেরামতের কাজ চলছে। এত বড় প্রকল্পের পরও মানুষের দুর্ভোগ কমছে না কেন, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রকল্পের কাজে অনিয়ম রয়েছে। ভাঙনকবলিত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার অনুরোধ জানানো হলেও ঠিকাদারেরা তা না করে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ স্থানে কাজ করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বক্তব্য, বাজেটের সীমাবদ্ধতায় সব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব হয়নি। পর্যায়ক্রমে বাকি কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নদীভাঙন শুধু জমি বা বসতবাড়ি হারানোর ঘটনা নয়। এর সঙ্গে হারিয়ে যায় মানুষের সারা জীবনের সঞ্চয়, জীবিকা ও নিরাপদে বেঁচে থাকার আশ্রয়। নদীভাঙন এমন একটি সমস্যা, যেখানে সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে অল্প সময়েই বড় ক্ষতি হয়ে যায়। মানুষের ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষার বিষয়টি এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রাখা যায় না। বর্ষা এলে ভাঙন বাড়ে। তাই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রকল্পের প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। প্রকল্পের নকশা, কাজের মান ও ব্যয়ের হিসাব নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা করতে হবে। অনিয়ম বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন