কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় বাড়ছে জনমনে উদ্বেগ। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সংক্রমণ কমার প্রত্যাশা থাকলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছে। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত এক রোগীর স্বজন জানান, তার সন্তানের সাত দিন যাবৎ ডেঙ্গু হয়েছে। এখানে চিকিৎসা চলছে। কিন্তু খাওয়া-দাওয়া করতে পারছে না। এখান থেকে স্যালাইন ও যাবতীয় ওষুধপত্র দেওয়া হচ্ছে।
গত এক সপ্তাহে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ১৬৬ জন। বর্তমানে হাসপাতাল দুটিতে ভর্তি রয়েছেন ৩৩ জন রোগী। সংক্রমণ না কমার কারণে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবার চাপ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জ্বর, মাথাব্যথা ও শরীর ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইকবাল হাসান জানান, ‘গত এক সপ্তাহে আমরা মোট ১৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নিয়েছি। ডেঙ্গু হলে অবশ্যই আমাদের মশারি ব্যবহার করতে হবে। ডেঙ্গুর যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে অতিদ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। আমাদের বসতবাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। দুই-তিন দিন ধরে কোনো পুরোনো পানি জমতে দেওয়া যাবে না। কোনো ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ হওয়ায় শুধু হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা দিয়েই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সক্রিয় সামাজিক অংশগ্রহণ এবং প্রশাসনিক সমন্বয়। আক্রান্ত রোগীদের আলাদা রাখা, পরিবারের অন্য সদস্যদের সুরক্ষা এবং দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে মৃত্যুঝুঁকি কমানো সম্ভব।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় বাড়ছে জনমনে উদ্বেগ। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সংক্রমণ কমার প্রত্যাশা থাকলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছে। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে দেখা দিয়েছে দুশ্চিন্তা।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত এক রোগীর স্বজন জানান, তার সন্তানের সাত দিন যাবৎ ডেঙ্গু হয়েছে। এখানে চিকিৎসা চলছে। কিন্তু খাওয়া-দাওয়া করতে পারছে না। এখান থেকে স্যালাইন ও যাবতীয় ওষুধপত্র দেওয়া হচ্ছে।
গত এক সপ্তাহে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ১৬৬ জন। বর্তমানে হাসপাতাল দুটিতে ভর্তি রয়েছেন ৩৩ জন রোগী। সংক্রমণ না কমার কারণে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবার চাপ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জ্বর, মাথাব্যথা ও শরীর ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইকবাল হাসান জানান, ‘গত এক সপ্তাহে আমরা মোট ১৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নিয়েছি। ডেঙ্গু হলে অবশ্যই আমাদের মশারি ব্যবহার করতে হবে। ডেঙ্গুর যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে অতিদ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। আমাদের বসতবাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। দুই-তিন দিন ধরে কোনো পুরোনো পানি জমতে দেওয়া যাবে না। কোনো ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ হওয়ায় শুধু হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা দিয়েই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সক্রিয় সামাজিক অংশগ্রহণ এবং প্রশাসনিক সমন্বয়। আক্রান্ত রোগীদের আলাদা রাখা, পরিবারের অন্য সদস্যদের সুরক্ষা এবং দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে মৃত্যুঝুঁকি কমানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন