মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মাঝে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর ইসরাইল ও লেবাননের নেতারা সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বুধবার এক বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, দুই দেশের মধ্যে
বিদ্যমান উত্তেজনা কমিয়ে একটি স্বস্তির পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময়, প্রায় ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন। এটি
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত হবে।” তবে এই বৈঠকে কারা অংশ নিচ্ছেন বা আলোচনার নির্দিষ্ট
বিষয়বস্তু কী হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি দেননি।
এর আগে গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দেশ দুটির মধ্যে একটি উচ্চ-পর্যায়ের
প্রাথমিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালের পর এটিই ছিল দুই দেশের মধ্যে প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক
আলোচনা।
গত ২ মার্চ ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরাইলে হামলা
চালানোর পর লেবানন সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে লেবাননে ইসরাইলি
বাহিনীর পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই সংঘাতের
মাঝেই দুই দেশের আলোচনায় বসার খবরটি আন্তর্জাতিক মহলে বেশ কৌতূহল ও আশার সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দশক ধরে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে কোনো
ধরনের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বা সরাসরি আলোচনার পথ বন্ধ ছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের
এই মধ্যস্থতা সফল হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের মোড় নিতে পারে বলে ধারণা
করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মাঝে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর ইসরাইল ও লেবাননের নেতারা সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বুধবার এক বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, দুই দেশের মধ্যে
বিদ্যমান উত্তেজনা কমিয়ে একটি স্বস্তির পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময়, প্রায় ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন। এটি
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত হবে।” তবে এই বৈঠকে কারা অংশ নিচ্ছেন বা আলোচনার নির্দিষ্ট
বিষয়বস্তু কী হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি দেননি।
এর আগে গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দেশ দুটির মধ্যে একটি উচ্চ-পর্যায়ের
প্রাথমিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালের পর এটিই ছিল দুই দেশের মধ্যে প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক
আলোচনা।
গত ২ মার্চ ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরাইলে হামলা
চালানোর পর লেবানন সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে লেবাননে ইসরাইলি
বাহিনীর পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই সংঘাতের
মাঝেই দুই দেশের আলোচনায় বসার খবরটি আন্তর্জাতিক মহলে বেশ কৌতূহল ও আশার সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দশক ধরে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে কোনো
ধরনের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বা সরাসরি আলোচনার পথ বন্ধ ছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের
এই মধ্যস্থতা সফল হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের মোড় নিতে পারে বলে ধারণা
করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন