দীর্ঘ টানাপোড়েন ও সামরিক উত্তেজনার পর অবশেষে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ‘গ্র্যান্ড বার্গেন’ বা বড় ধরনের শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার এই সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ওয়াশিংটন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) একটি পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনের বিশেষ বার্তা নিয়ে তেহরানে পৌঁছানোর পর এই নতুন আশার সঞ্চার হয়।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন,
পরবর্তী আলোচনা খুব সম্ভবত পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন ভাইস
প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই প্রস্তাবকে ‘ট্রাম্পীয় গ্র্যান্ড বার্গেন’ হিসেবে অভিহিত
করেছেন। চুক্তির শর্ত হিসেবে ইরানকে স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থাকার
প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে একটি সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে
তুলতে সহায়তা করবে।
চুক্তির আলোচনা চললেও তেহরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে।
ইরানের সামরিক কমান্ডের প্রধান আলী আবদোল্লাহি সতর্ক করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের
বন্দর অবরোধ না তোলে, তবে পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর ও লোহিত সাগরে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক
জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না। এটি গত ৮ এপ্রিল হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের
শামিল হবে বলেও তারা উল্লেখ করেছে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন,
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একই লক্ষ্যে কাজ করছে। তারা চায় ইরান থেকে সব সমৃদ্ধ
ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হোক এবং হরমুজ প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।
এদিকে, চুক্তির এই পজিটিভ সিগন্যালে বিশ্ববাজারে ইতিবাচক
প্রভাব পড়েছে। আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান ঘটেছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম
কিছুটা কমেছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার সমান্তরালে ১৯৯৩ সালের পর প্রথমবারের
মতো ইসরাইল ও লেবানন সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। তবে মাঠের পরিস্থিতি এখনো নাজুক।
হিজবুল্লাহ আলোচনার বিরোধিতা করে রকেট হামলা চালিয়েছে এবং জবাবে ইসরাইলি বাহিনীও লেবাননে
হিজবুল্লাহর দুই শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ এখন ‘শেষের খুব কাছাকাছি’ এবং আগামী দুই দিনের মধ্যেই পাকিস্তানে
চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা শুরু হতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘ টানাপোড়েন ও সামরিক উত্তেজনার পর অবশেষে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ‘গ্র্যান্ড বার্গেন’ বা বড় ধরনের শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার এই সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ওয়াশিংটন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) একটি পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনের বিশেষ বার্তা নিয়ে তেহরানে পৌঁছানোর পর এই নতুন আশার সঞ্চার হয়।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন,
পরবর্তী আলোচনা খুব সম্ভবত পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন ভাইস
প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই প্রস্তাবকে ‘ট্রাম্পীয় গ্র্যান্ড বার্গেন’ হিসেবে অভিহিত
করেছেন। চুক্তির শর্ত হিসেবে ইরানকে স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থাকার
প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে একটি সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে
তুলতে সহায়তা করবে।
চুক্তির আলোচনা চললেও তেহরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে।
ইরানের সামরিক কমান্ডের প্রধান আলী আবদোল্লাহি সতর্ক করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের
বন্দর অবরোধ না তোলে, তবে পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর ও লোহিত সাগরে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক
জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না। এটি গত ৮ এপ্রিল হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের
শামিল হবে বলেও তারা উল্লেখ করেছে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন,
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একই লক্ষ্যে কাজ করছে। তারা চায় ইরান থেকে সব সমৃদ্ধ
ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হোক এবং হরমুজ প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।
এদিকে, চুক্তির এই পজিটিভ সিগন্যালে বিশ্ববাজারে ইতিবাচক
প্রভাব পড়েছে। আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান ঘটেছে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম
কিছুটা কমেছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার সমান্তরালে ১৯৯৩ সালের পর প্রথমবারের
মতো ইসরাইল ও লেবানন সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। তবে মাঠের পরিস্থিতি এখনো নাজুক।
হিজবুল্লাহ আলোচনার বিরোধিতা করে রকেট হামলা চালিয়েছে এবং জবাবে ইসরাইলি বাহিনীও লেবাননে
হিজবুল্লাহর দুই শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ এখন ‘শেষের খুব কাছাকাছি’ এবং আগামী দুই দিনের মধ্যেই পাকিস্তানে
চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা শুরু হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন