উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় সাম্প্রতিক শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে তৈরি হওয়া অশান্তি নিয়ে এক ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে প্রশাসন। সরকারের দাবি, এটি কোনও স্বতঃস্ফূর্ত শ্রমিক আন্দোলন নয় বরং এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত উস্কানি ও ‘বহিরাগত’দের সক্রিয় ভূমিকা।
তদন্তে উঠে এসেছে, গ্রেপ্তার হওয়া মোট ৬৬ জনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য
অংশই প্রকৃত শ্রমিক নন। প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ৪৫ জন বহিরাগত ব্যক্তি শ্রমিকদের
ভিড়ে মিশে ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন। এর ফলে শান্তিপূর্ণ দাবিদাওয়া
মুহূর্তের মধ্যে হিংসাত্মক রূপ নেয় যেখানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং সরকারি সম্পত্তির
ক্ষতির মতো ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অশান্তির বীজ বোনা হয়েছিল আগেই।
রবিবার রাত থেকেই নাকি পরিকল্পনা শুরু হয়। বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে শ্রমিকদের
যুক্ত করা, সেখানে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানো এমনকি কিউআর কোড ব্যবহার করে দ্রুত প্রচার
চালানোর মতো কৌশলও নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। অর্থাৎ, ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে
একপ্রকার ‘মাঠ তৈরি’ করা হয়েছিল।
এখন পর্যন্ত তদন্তে ১৭ জনকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়
চিহ্নিত করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তার। পাশাপাশি হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে ৩২
জনের মধ্যে ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। আরও চারজনকে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,
যাঁদের প্রশাসন এই ঘটনার ‘মূলচক্রী’ হিসেবে দেখছে।
এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সরাসরি হস্তক্ষেপ
করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ও উত্তেজনা
তৈরির চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সমাজমাধ্যমে নজরদারি আরও বাড়ানোর
নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, প্রশাসনের বার্তা স্পষ্ট এই ঘটনাকে শুধুমাত্র
শ্রমিক অসন্তোষ হিসেবে দেখা যাবে না। বরং এর আড়ালে বৃহত্তর অস্থিরতা তৈরির একটি প্রচেষ্টা
ছিল, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলেই দাবি সরকারের। কিন্তু শ্রমিকের পক্ষ
থেকে জানানো হয় দমন -পীড়ন করে এই তীব্রতর শ্রমিক আন্দোলকে যুগী সরকার থামাতে পারবে নাl

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় সাম্প্রতিক শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে তৈরি হওয়া অশান্তি নিয়ে এক ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে প্রশাসন। সরকারের দাবি, এটি কোনও স্বতঃস্ফূর্ত শ্রমিক আন্দোলন নয় বরং এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত উস্কানি ও ‘বহিরাগত’দের সক্রিয় ভূমিকা।
তদন্তে উঠে এসেছে, গ্রেপ্তার হওয়া মোট ৬৬ জনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য
অংশই প্রকৃত শ্রমিক নন। প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ৪৫ জন বহিরাগত ব্যক্তি শ্রমিকদের
ভিড়ে মিশে ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন। এর ফলে শান্তিপূর্ণ দাবিদাওয়া
মুহূর্তের মধ্যে হিংসাত্মক রূপ নেয় যেখানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং সরকারি সম্পত্তির
ক্ষতির মতো ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অশান্তির বীজ বোনা হয়েছিল আগেই।
রবিবার রাত থেকেই নাকি পরিকল্পনা শুরু হয়। বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে শ্রমিকদের
যুক্ত করা, সেখানে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানো এমনকি কিউআর কোড ব্যবহার করে দ্রুত প্রচার
চালানোর মতো কৌশলও নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। অর্থাৎ, ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে
একপ্রকার ‘মাঠ তৈরি’ করা হয়েছিল।
এখন পর্যন্ত তদন্তে ১৭ জনকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়
চিহ্নিত করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ১১ জন গ্রেপ্তার। পাশাপাশি হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে ৩২
জনের মধ্যে ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। আরও চারজনকে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,
যাঁদের প্রশাসন এই ঘটনার ‘মূলচক্রী’ হিসেবে দেখছে।
এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সরাসরি হস্তক্ষেপ
করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ও উত্তেজনা
তৈরির চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সমাজমাধ্যমে নজরদারি আরও বাড়ানোর
নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, প্রশাসনের বার্তা স্পষ্ট এই ঘটনাকে শুধুমাত্র
শ্রমিক অসন্তোষ হিসেবে দেখা যাবে না। বরং এর আড়ালে বৃহত্তর অস্থিরতা তৈরির একটি প্রচেষ্টা
ছিল, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলেই দাবি সরকারের। কিন্তু শ্রমিকের পক্ষ
থেকে জানানো হয় দমন -পীড়ন করে এই তীব্রতর শ্রমিক আন্দোলকে যুগী সরকার থামাতে পারবে নাl

আপনার মতামত লিখুন