ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ঐতিহাসিক আলোচনার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুই দেশের নেতাদের মধ্যে আলোচনার ঘোষণা দিলেও, লেবানন সরকার জানিয়েছে তারা এই বিষয়ে কিছুই জানে না।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেবাননের
একটি উচ্চপদস্থ সরকারি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
লেবাননের ওই সরকারি সূত্রটি জানায়, “ইসরাইলের সঙ্গে পরিকল্পিত
কোনো যোগাযোগের বিষয়ে আমরা একেবারেই অবগত নই। এমনকি কোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক মাধ্যমেও
আমাদের এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।”
এর আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ
একটি পোস্টের মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, ওয়াশিংটন ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে
চলমান উত্তেজনা কমিয়ে একটি স্বস্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ
করেন, দীর্ঘ ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা কথা বলতে যাচ্ছেন এবং এই আলোচনা বৃহস্পতিবার
অনুষ্ঠিত হবে।
ট্রাম্পের এমন সুনির্দিষ্ট ঘোষণার পর লেবাননের পক্ষ থেকে
তা অস্বীকার করায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একদিকে যুদ্ধ
ও প্রাণহানির ভয়াবহতা, অন্যদিকে আলোচনার এই অস্পষ্টতা মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে আরও জটিল
করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত কোনো পক্ষ আলোচনায় বসে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে ঐতিহাসিক আলোচনার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুই দেশের নেতাদের মধ্যে আলোচনার ঘোষণা দিলেও, লেবানন সরকার জানিয়েছে তারা এই বিষয়ে কিছুই জানে না।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেবাননের
একটি উচ্চপদস্থ সরকারি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
লেবাননের ওই সরকারি সূত্রটি জানায়, “ইসরাইলের সঙ্গে পরিকল্পিত
কোনো যোগাযোগের বিষয়ে আমরা একেবারেই অবগত নই। এমনকি কোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক মাধ্যমেও
আমাদের এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।”
এর আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ
একটি পোস্টের মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, ওয়াশিংটন ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে
চলমান উত্তেজনা কমিয়ে একটি স্বস্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ
করেন, দীর্ঘ ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা কথা বলতে যাচ্ছেন এবং এই আলোচনা বৃহস্পতিবার
অনুষ্ঠিত হবে।
ট্রাম্পের এমন সুনির্দিষ্ট ঘোষণার পর লেবাননের পক্ষ থেকে
তা অস্বীকার করায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একদিকে যুদ্ধ
ও প্রাণহানির ভয়াবহতা, অন্যদিকে আলোচনার এই অস্পষ্টতা মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে আরও জটিল
করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত কোনো পক্ষ আলোচনায় বসে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন