পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় সামাজিক বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খালগুলোতে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে| বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মচারী ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে এসব বাঁধ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে| ফলে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে| এ নিয়ে সংবাদে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে|
বাঁধের কারণে চরাঞ্চলের কৃষি জমির সেচ ব্যাহত হচ্ছে| বর্ষায় পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জমিতে পানি জমে থাকে| আবার রবি মৌসুমে পানির অভাবে ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে| আলীপুরা ইউনিয়নের পূর্ব আলীপুর গ্রামে একটি সরকারি খালের জমি অবৈধভাবে বন্দোবস্ত নিয়ে বাঁধ দেয়ায় প্রায় ১০ হাজার একর আবাদি জমি ক্ষতির মুখে পড়েছে|
খালে পানি আটকে থাকায় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন বন্ধ হয়ে গেছে| মাছ শিকার করা হচ্ছে অবাধে| সামাজিক বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে| উপজেলার চরাঞ্চলে যেসব খাল দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পানিপ্রবাহিত হতো, সেগুলো এখন অবরুদ্ধ|
ভুক্তভোগীরা বলছেন, তারা প্রায় ২০ বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন| বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে অভিযোগ করলেও কোনো প্রতিকার পাননি|
প্রভাবশালীরা ভূমিহীন নয় জেনেও খালের খাস জমি বন্দোবস্ত নিয়ে পুকুর কেটে বাঁধ দিয়েছেন| এই অবৈধ বন্দোবস্ত বাতিল করা দরকার| খাল খনন করে পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন|
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবৈধ বাঁধ অপসারণ করে সামাজিক বনাঞ্চল ও কৃষিজমি রক্ষা করতে হবে| অবৈধ বাঁধ যারা দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে হবে|

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় সামাজিক বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খালগুলোতে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে| বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মচারী ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে এসব বাঁধ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে| ফলে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে| এ নিয়ে সংবাদে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে|
বাঁধের কারণে চরাঞ্চলের কৃষি জমির সেচ ব্যাহত হচ্ছে| বর্ষায় পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জমিতে পানি জমে থাকে| আবার রবি মৌসুমে পানির অভাবে ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে| আলীপুরা ইউনিয়নের পূর্ব আলীপুর গ্রামে একটি সরকারি খালের জমি অবৈধভাবে বন্দোবস্ত নিয়ে বাঁধ দেয়ায় প্রায় ১০ হাজার একর আবাদি জমি ক্ষতির মুখে পড়েছে|
খালে পানি আটকে থাকায় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন বন্ধ হয়ে গেছে| মাছ শিকার করা হচ্ছে অবাধে| সামাজিক বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে| উপজেলার চরাঞ্চলে যেসব খাল দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পানিপ্রবাহিত হতো, সেগুলো এখন অবরুদ্ধ|
ভুক্তভোগীরা বলছেন, তারা প্রায় ২০ বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন| বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে অভিযোগ করলেও কোনো প্রতিকার পাননি|
প্রভাবশালীরা ভূমিহীন নয় জেনেও খালের খাস জমি বন্দোবস্ত নিয়ে পুকুর কেটে বাঁধ দিয়েছেন| এই অবৈধ বন্দোবস্ত বাতিল করা দরকার| খাল খনন করে পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন|
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবৈধ বাঁধ অপসারণ করে সামাজিক বনাঞ্চল ও কৃষিজমি রক্ষা করতে হবে| অবৈধ বাঁধ যারা দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে হবে|

আপনার মতামত লিখুন