চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত ৭ জুনের পরিবর্তে আগামী ২ জুলাই থেকে এই পরীক্ষা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শনিবার
১৮ এপ্রিল সব শিক্ষা বোর্ডের
চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল
সভায় এই নতুন তারিখ
চূড়ান্ত করা হয়। সভায়
সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড.
আ ন ম এহছানুল
হক মিলন।
দীর্ঘ
পাঁচ বছর পর এবার
পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে
সিলেবাস শেষ করতে হাতে
পর্যাপ্ত সময় না থাকায়
পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা গত
কিছুদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ
করে আসছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ
প্রকাশিত হলে বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের
নজরে আসে।
ভার্চুয়াল
সভায় বোর্ড চেয়ারম্যানরা জানান, ২০২৬ সালের এইচএসসি
পরীক্ষার্থীরা প্রস্তুতির জন্য তুলনামূলক কম
সময় পাচ্ছে। পরীক্ষা পেছানো হলে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে
কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা
নিয়েও সভায় বিস্তারিত পর্যলোচনা
করা হয়।
সার্বিক
পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষামন্ত্রী ড.
আ ন ম এহছানুল
হক মিলন পরীক্ষা প্রায়
এক মাস পিছিয়ে দেওয়ার
নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায়
অংশ নেওয়া এক বোর্ড চেয়ারম্যান
গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, মন্ত্রী সবার মতামত শোনার
পর শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ২ জুলাই থেকে
পরীক্ষা শুরুর তারিখ নির্ধারণ করেন। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষা বোর্ডগুলোকে
অতি দ্রুত পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি বা রুটিন তৈরি
করে তা জনসমক্ষে প্রকাশের
ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, গত ২৯
মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে ৭
জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা
শুরু করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছিলো। সেই অনুযায়ী বোর্ডগুলো
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে রুটিন তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে
জমাও দিয়েছিলো। কিন্তু প্রস্তুতির ঘাটতি নিয়ে শিক্ষার্থী ও
অভিভাবকদের তীব্র আপত্তি এবং চলমান পরিস্থিতির
কথা বিবেচনা করে আগের সিদ্ধান্ত
থেকে সরে এসে নতুন
এই সময়সূচি ঘোষণা করলো সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে
পরীক্ষার্থীরা প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময়
পাওয়ায় শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত ৭ জুনের পরিবর্তে আগামী ২ জুলাই থেকে এই পরীক্ষা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শনিবার
১৮ এপ্রিল সব শিক্ষা বোর্ডের
চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল
সভায় এই নতুন তারিখ
চূড়ান্ত করা হয়। সভায়
সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড.
আ ন ম এহছানুল
হক মিলন।
দীর্ঘ
পাঁচ বছর পর এবার
পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে
সিলেবাস শেষ করতে হাতে
পর্যাপ্ত সময় না থাকায়
পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা গত
কিছুদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ
করে আসছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ
প্রকাশিত হলে বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের
নজরে আসে।
ভার্চুয়াল
সভায় বোর্ড চেয়ারম্যানরা জানান, ২০২৬ সালের এইচএসসি
পরীক্ষার্থীরা প্রস্তুতির জন্য তুলনামূলক কম
সময় পাচ্ছে। পরীক্ষা পেছানো হলে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে
কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা
নিয়েও সভায় বিস্তারিত পর্যলোচনা
করা হয়।
সার্বিক
পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষামন্ত্রী ড.
আ ন ম এহছানুল
হক মিলন পরীক্ষা প্রায়
এক মাস পিছিয়ে দেওয়ার
নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায়
অংশ নেওয়া এক বোর্ড চেয়ারম্যান
গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, মন্ত্রী সবার মতামত শোনার
পর শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ২ জুলাই থেকে
পরীক্ষা শুরুর তারিখ নির্ধারণ করেন। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষা বোর্ডগুলোকে
অতি দ্রুত পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি বা রুটিন তৈরি
করে তা জনসমক্ষে প্রকাশের
ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, গত ২৯
মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে ৭
জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা
শুরু করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছিলো। সেই অনুযায়ী বোর্ডগুলো
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে রুটিন তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে
জমাও দিয়েছিলো। কিন্তু প্রস্তুতির ঘাটতি নিয়ে শিক্ষার্থী ও
অভিভাবকদের তীব্র আপত্তি এবং চলমান পরিস্থিতির
কথা বিবেচনা করে আগের সিদ্ধান্ত
থেকে সরে এসে নতুন
এই সময়সূচি ঘোষণা করলো সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে
পরীক্ষার্থীরা প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময়
পাওয়ায় শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন