নীলফামারীর সৈয়দপুরে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও কাভার্ড ভ্যানে বিশেষভাবে তৈরি ট্যাংকারে করে জ্বালানি তেল পাচারের এক ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে। শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ অকটেনসহ সাতজনকে হাতেনাতে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আটকদের
মধ্যে প্রধান অভিযুক্তকে দুই লাখ টাকা
জরিমানা ও ছয় মাসের
কারাদণ্ড এবং বাকিদের বিভিন্ন
মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড
প্রদান করা হয়েছে। তবে
মানবিক দিক বিবেচনায় এক
এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সতর্ক করে মুক্তি দেয়
আদালত।
উপজেলা
প্রশাসনের কাছে তথ্য ছিল,
একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে
সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে অ্যাম্বুলেন্সের মতো
জরুরি সেবার যানবাহনে বিশেষ উপায়ে তৈরি ট্যাংকার বসিয়ে
জ্বালানি পাচার করছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার
রাত ১১টার দিকে সৈয়দপুর বাইপাস
সড়ক সংলগ্ন মেসার্স রোকেয়া ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
মো. সাব্বির হোসেন।
অভিযানে
পুলিশের একটি দল সেখানে
অবস্থানরত একটি অ্যাম্বুলেন্স ও
একটি কাভার্ড ভ্যান তল্লাশি করে ভেতরে লুকানো
বিশালাকৃতির ট্যাংকারের সন্ধান পায়। সেই ট্যাংকারগুলো
থেকে আনুমানিক ৩ হাজার লিটার
অকটেন উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার
পরপরই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অপরাধীদের সাজার
আওতায় আনা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের
মধ্যে সৈয়দপুর শহরের পুরাতন বাবুপাড়া এলাকার মো. রফিকুল ইসলামকে
অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় দুই লাখ টাকা
জরিমানা ও ছয় মাসের
বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া মো.
সেরাজ, মঈনুদ্দীন, জাহাঙ্গীর, সাগর, মিস শেখ এবং
সিরাজকে ১০ হাজার টাকা
করে জরিমানা ও তিন দিনের
কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তরা
নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও ও সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা
বলে জানা গেছে।
অভিযান
শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন
জানান, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত, পরিবহন
ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান
ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি
বলেন, “গাড়ি দুটি থেকে
আনুমানিক তিন হাজার লিটার
অকটেন জব্দ করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জব্দকৃত তেল রাতেই পার্শ্ববর্তী
দুটি ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করে
দেওয়া হয়।”
পাচারকারীদের
এই অভিনব কৌশল নস্যাৎ করে
দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে
দেন যে, অসাধু উপায়ে
দেশের সম্পদ পাচারের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড়
দেওয়া হবে না।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও কাভার্ড ভ্যানে বিশেষভাবে তৈরি ট্যাংকারে করে জ্বালানি তেল পাচারের এক ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে। শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ অকটেনসহ সাতজনকে হাতেনাতে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আটকদের
মধ্যে প্রধান অভিযুক্তকে দুই লাখ টাকা
জরিমানা ও ছয় মাসের
কারাদণ্ড এবং বাকিদের বিভিন্ন
মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড
প্রদান করা হয়েছে। তবে
মানবিক দিক বিবেচনায় এক
এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সতর্ক করে মুক্তি দেয়
আদালত।
উপজেলা
প্রশাসনের কাছে তথ্য ছিল,
একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে
সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে অ্যাম্বুলেন্সের মতো
জরুরি সেবার যানবাহনে বিশেষ উপায়ে তৈরি ট্যাংকার বসিয়ে
জ্বালানি পাচার করছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার
রাত ১১টার দিকে সৈয়দপুর বাইপাস
সড়ক সংলগ্ন মেসার্স রোকেয়া ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
মো. সাব্বির হোসেন।
অভিযানে
পুলিশের একটি দল সেখানে
অবস্থানরত একটি অ্যাম্বুলেন্স ও
একটি কাভার্ড ভ্যান তল্লাশি করে ভেতরে লুকানো
বিশালাকৃতির ট্যাংকারের সন্ধান পায়। সেই ট্যাংকারগুলো
থেকে আনুমানিক ৩ হাজার লিটার
অকটেন উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার
পরপরই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অপরাধীদের সাজার
আওতায় আনা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের
মধ্যে সৈয়দপুর শহরের পুরাতন বাবুপাড়া এলাকার মো. রফিকুল ইসলামকে
অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় দুই লাখ টাকা
জরিমানা ও ছয় মাসের
বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া মো.
সেরাজ, মঈনুদ্দীন, জাহাঙ্গীর, সাগর, মিস শেখ এবং
সিরাজকে ১০ হাজার টাকা
করে জরিমানা ও তিন দিনের
কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তরা
নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও ও সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা
বলে জানা গেছে।
অভিযান
শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন
জানান, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত, পরিবহন
ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান
ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি
বলেন, “গাড়ি দুটি থেকে
আনুমানিক তিন হাজার লিটার
অকটেন জব্দ করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জব্দকৃত তেল রাতেই পার্শ্ববর্তী
দুটি ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করে
দেওয়া হয়।”
পাচারকারীদের
এই অভিনব কৌশল নস্যাৎ করে
দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে
দেন যে, অসাধু উপায়ে
দেশের সম্পদ পাচারের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড়
দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন