বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। গতকাল শনিবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হয়। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের নতুন দাম এখন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্ধিত দামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
|
জ্বালানির ধরন |
আগের দাম (টাকা/লিটার) |
বর্তমান দাম (টাকা/লিটার) |
|
ডিজেল |
১০০ টাকা |
১১৫ টাকা |
|
অকটেন |
১২০ টাকা |
১৪০ টাকা |
|
পেট্রোল |
১১৬ টাকা |
১৩৫ টাকা |
|
কেরোসিন |
১১২ টাকা |
১৩০ টাকা |
উল্লেখ্য, ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বা ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম ১১৪ টাকা করা হয়েছিল, যা ছিল তৎকালীন রেকর্ড। এবার ১১৫ টাকা করার মাধ্যমে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।
সরকার জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একপর্যায়ে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। মার্চ মাস থেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মূল্য সমন্বয় করার কথা থাকলেও এপ্রিলের শুরুতে দাম না বাড়িয়ে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল। তবে বর্তমান সরবরাহ সংকট ও আমদানি খরচ বিবেচনায় নিয়ে মাসের মাঝামাঝিতে এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা এলো।
তেলের দাম বাড়বে এমন খবরে এবং গত কয়েকদিন ধরে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। অনেক পাম্পে তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে চালকদের।
ভোগান্তি কমাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আজ থেকে তেলের সরবরাহ বাড়ানোর বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। বিপিসি জানিয়েছে:
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে ১০ শতাংশ চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তবে আতঙ্কের কারণে বাজারে 'অস্বাভাবিক চাহিদা' তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, মানুষের কষ্ট লাঘবে সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পাম্পগুলোর চাহিদা তদারকি করা হবে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। গতকাল শনিবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হয়। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের নতুন দাম এখন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্ধিত দামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
|
জ্বালানির ধরন |
আগের দাম (টাকা/লিটার) |
বর্তমান দাম (টাকা/লিটার) |
|
ডিজেল |
১০০ টাকা |
১১৫ টাকা |
|
অকটেন |
১২০ টাকা |
১৪০ টাকা |
|
পেট্রোল |
১১৬ টাকা |
১৩৫ টাকা |
|
কেরোসিন |
১১২ টাকা |
১৩০ টাকা |
উল্লেখ্য, ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বা ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম ১১৪ টাকা করা হয়েছিল, যা ছিল তৎকালীন রেকর্ড। এবার ১১৫ টাকা করার মাধ্যমে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।
সরকার জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একপর্যায়ে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। মার্চ মাস থেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মূল্য সমন্বয় করার কথা থাকলেও এপ্রিলের শুরুতে দাম না বাড়িয়ে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল। তবে বর্তমান সরবরাহ সংকট ও আমদানি খরচ বিবেচনায় নিয়ে মাসের মাঝামাঝিতে এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা এলো।
তেলের দাম বাড়বে এমন খবরে এবং গত কয়েকদিন ধরে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। অনেক পাম্পে তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে চালকদের।
ভোগান্তি কমাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আজ থেকে তেলের সরবরাহ বাড়ানোর বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। বিপিসি জানিয়েছে:
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে ১০ শতাংশ চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তবে আতঙ্কের কারণে বাজারে 'অস্বাভাবিক চাহিদা' তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, মানুষের কষ্ট লাঘবে সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পাম্পগুলোর চাহিদা তদারকি করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন