সংবাদ

গোবরচাঁপা-আক্কেলপুর সড়ক

৫ দশকে সংস্কার হয়নি, অবশেষে ভেঙে পড়ল বদলগাছীর কালভার্ট


প্রতিনিধি, বদলগাছী (নওগাঁ)
প্রতিনিধি, বদলগাছী (নওগাঁ)
প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম

৫ দশকে সংস্কার হয়নি, অবশেষে ভেঙে পড়ল বদলগাছীর কালভার্ট
নওগাঁর বদলগাছী ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর সংযোগকারী সড়কের খাদাইল বাহারের মোড়ে ভেঙে পড়া কালভার্টটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ছবি : সংবাদ

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার গোবরচাঁপা-আক্কেলপুর সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার সাত দিন পার হলেও তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বদলগাছী ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার হাজারো মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কালভার্টটি বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নে হলেও আক্কেলপুর উপজেলা সদর থেকে এর দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন দুই উপজেলার অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। প্রায় ৫০ বছর আগে নির্মিত এই কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। এক সপ্তাহ আগে কালভার্টের এক পাশের পাটাতন ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, কালভার্টটির এক অংশ দেবে গিয়ে বিপজ্জনক গর্ত তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা বাঁশ ও গাছের ডালপালা দিয়ে অস্থায়ীভাবে স্থানটি চিহ্নিত করে দিলেও রাতে যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন অনেকে। বিশেষ করে কালভার্টটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় হওয়ায় সংস্কার নিয়ে দুই কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

খাদাইল এলাকার বাসিন্দা মো. আজাদ বলেন, ‘কালভার্টটি ভেঙে পড়ার এক সপ্তাহ হয়ে গেল, কিন্তু কেউ ঠিক করতে আসেনি। ঝুঁকি নিয়ে আমাদের পার হতে হচ্ছে। রাতে চলাচল করতে গিয়ে ইতিমধ্যে তিনজন আহত হয়েছেন।’ 

শাহিদুল ইসলাম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, সীমান্ত এলাকা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন নজরদারি নেই। দ্রুত মেরামত না করলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মিঠাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ হোসেন বলেন, সড়কটি দিয়ে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি ইতিমধ্যে উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে।

বদলগাছী উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দ্রুত সেখানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড দেওয়া হবে। আপাতত গর্ত ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যকে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে নতুন একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


৫ দশকে সংস্কার হয়নি, অবশেষে ভেঙে পড়ল বদলগাছীর কালভার্ট

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার গোবরচাঁপা-আক্কেলপুর সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার সাত দিন পার হলেও তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বদলগাছী ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার হাজারো মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কালভার্টটি বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নে হলেও আক্কেলপুর উপজেলা সদর থেকে এর দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন দুই উপজেলার অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। প্রায় ৫০ বছর আগে নির্মিত এই কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। এক সপ্তাহ আগে কালভার্টের এক পাশের পাটাতন ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, কালভার্টটির এক অংশ দেবে গিয়ে বিপজ্জনক গর্ত তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা বাঁশ ও গাছের ডালপালা দিয়ে অস্থায়ীভাবে স্থানটি চিহ্নিত করে দিলেও রাতে যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন অনেকে। বিশেষ করে কালভার্টটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় হওয়ায় সংস্কার নিয়ে দুই কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

খাদাইল এলাকার বাসিন্দা মো. আজাদ বলেন, ‘কালভার্টটি ভেঙে পড়ার এক সপ্তাহ হয়ে গেল, কিন্তু কেউ ঠিক করতে আসেনি। ঝুঁকি নিয়ে আমাদের পার হতে হচ্ছে। রাতে চলাচল করতে গিয়ে ইতিমধ্যে তিনজন আহত হয়েছেন।’ 

শাহিদুল ইসলাম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, সীমান্ত এলাকা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন নজরদারি নেই। দ্রুত মেরামত না করলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মিঠাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ হোসেন বলেন, সড়কটি দিয়ে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি ইতিমধ্যে উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে।

বদলগাছী উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দ্রুত সেখানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড দেওয়া হবে। আপাতত গর্ত ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যকে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে নতুন একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত