ইরান বর্তমানে মারাত্মক আর্থিক সংকটের সম্মুখীন এবং দেশটি ‘নগদ অর্থের জন্য হাহাকার করছে’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক ধারাবাহিক পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, "ইরান আর্থিকভাবে
ভেঙে পড়ছে! তেহরান এখন হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে চায় এবং নগদ অর্থের জন্য হাহাকার
করছে। অবরোধ ও বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তাদের প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি (৫০০ মিলিয়ন)
ডলার লোকসান হচ্ছে।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, আর্থিক সংকটের কারণে ইরানের সেনাবাহিনী
ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলছেন।
বিপুল অংকের দৈনিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি ইরানি
শাসনের স্থায়িত্ব নিয়ে নিজের করা এক বিতর্কিত পরিসংখ্যানও শেয়ার করেছেন ট্রাম্প। তিনি
দাবি করেন, আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ইরানি শাসনের পতনের সম্ভাবনা ০.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এই হার গতদিনের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সাথে দ্বিতীয় দফার
সংলাপে বসার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তবে এই দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়বস্তু ও সময়
এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পূর্বঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
মূলত ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতেই এই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে বলে
জানানো হয়।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং মার্কিন অবরোধের
ফলে ইরানের অর্থনীতি বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
ইরান বর্তমানে মারাত্মক আর্থিক সংকটের সম্মুখীন এবং দেশটি ‘নগদ অর্থের জন্য হাহাকার করছে’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক ধারাবাহিক পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, "ইরান আর্থিকভাবে
ভেঙে পড়ছে! তেহরান এখন হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে চায় এবং নগদ অর্থের জন্য হাহাকার
করছে। অবরোধ ও বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তাদের প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি (৫০০ মিলিয়ন)
ডলার লোকসান হচ্ছে।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, আর্থিক সংকটের কারণে ইরানের সেনাবাহিনী
ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলছেন।
বিপুল অংকের দৈনিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি ইরানি
শাসনের স্থায়িত্ব নিয়ে নিজের করা এক বিতর্কিত পরিসংখ্যানও শেয়ার করেছেন ট্রাম্প। তিনি
দাবি করেন, আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ইরানি শাসনের পতনের সম্ভাবনা ০.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এই হার গতদিনের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সাথে দ্বিতীয় দফার
সংলাপে বসার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তবে এই দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়বস্তু ও সময়
এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পূর্বঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
মূলত ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতেই এই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে বলে
জানানো হয়।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং মার্কিন অবরোধের
ফলে ইরানের অর্থনীতি বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন