মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় যখন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী বাঁশি বাজবে, তখন মাঠের আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন ব্রাজিলের রেফারিরা।
বৃহস্পতিবার গ্রুপ 'এ'-এর স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচটি পরিচালনা করবেন উইলটন সাম্পাইও। তার সহকারী হিসেবেও থাকছেন আরও দুই ব্রাজিলিয়ান রেফারি।
চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে যে রেফারি বাঁশি বাজানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন, এবার তিনি পেলেন উদ্বোধনী ম্যাচের দায়িত্ব। ৪৪ বছর বয়সী সাম্পাইও ফিফার আস্থাভাজন।
২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে রেফারি ও ভিএআর দলের সদস্য হিসেবে অভিজ্ঞতা আছে তার। এবার তিনি মেক্সিকো সিটির মাঠে ইতিহাসের অংশ হতে চলেছেন।
তার সহকারী হিসেবে থাকছেন স্বদেশী ব্রুনো পিরেস ও ব্রুনো বস্কিলিয়া। এই তিন ব্রাজিলিয়ানের হাতেই উঠছে খেলার প্রথম সূচনা। চতুর্থ রেফারি ও ভিএআর দলে থাকছেন কলম্বিয়া, চিলি ও ফ্রান্সের রেফারিরা।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের রেফারি নির্বাচন সব সময় গুরুত্ব পায়। ২০০৬ সালে জার্মানিতে আর্জেন্টিনার হোরাসিও এলিসনদো দায়িত্ব পেয়েছিলেন; ওই বছরই তিনি ফাইনালেও বাঁশি বাজান।
২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন উজবেকিস্তানের রাভশান ইরমাতভ।
২০১৪-তে জাপানের ইউইচি নিশিমুরা এবং ২০১৮ সালে আর্জেন্টিনার নেস্টর পিতানাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় । গত কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের দায়িত্ব পেয়েছিলেন ইতালির ড্যানিয়েলে ওরসাতো ।
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবার পেল এই সম্মান। শুধু উদ্বোধন নয়, সহকারী রেফারি নিয়েও ব্রাজিলের আধিপত্য পুরো ম্যাচে স্পষ্ট থাকছে।
উইলটন সাম্পাইও ফুটবল বিশ্বের অভিজ্ঞ ও নামকরা রেফারিদের একজন। তবে পুরো ব্রাজিলিয়ান দল দিয়ে উদ্বোধনী ম্যাচের অফিসিয়েটিং দল সাজানো ফিফার অলিখিত কোনো নিয়ম নয়, এটি একটি স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত। ভিএআর দলে কলম্বিয়া, চিলি ও ফ্রান্সের রেফারিরা থাকলেও- তিন ব্রাজিলিয়ানের হাতেই থাকবে অন-ফিল্ড অফিসিয়েটিংয়ের পুরো হাল।
বিশ্বকাপ মানেই ভিন্নমাত্রার স্বপ্ন আর ঐতিহ্যের লড়াই। এবারের শুরুতে ব্রাজিলিয়ান রেফারিরা প্রমাণ করবেন- শুধু সেলেসাও দল নয়, রেফারি নিয়েও সেরাদের তালিকায় ব্রাজিলের অবস্থান। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির জন্য এটি নতুন এক গর্বের অধ্যায়।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় যখন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী বাঁশি বাজবে, তখন মাঠের আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন ব্রাজিলের রেফারিরা।
বৃহস্পতিবার গ্রুপ 'এ'-এর স্বাগতিক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচটি পরিচালনা করবেন উইলটন সাম্পাইও। তার সহকারী হিসেবেও থাকছেন আরও দুই ব্রাজিলিয়ান রেফারি।
চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে যে রেফারি বাঁশি বাজানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন, এবার তিনি পেলেন উদ্বোধনী ম্যাচের দায়িত্ব। ৪৪ বছর বয়সী সাম্পাইও ফিফার আস্থাভাজন।
২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে রেফারি ও ভিএআর দলের সদস্য হিসেবে অভিজ্ঞতা আছে তার। এবার তিনি মেক্সিকো সিটির মাঠে ইতিহাসের অংশ হতে চলেছেন।
তার সহকারী হিসেবে থাকছেন স্বদেশী ব্রুনো পিরেস ও ব্রুনো বস্কিলিয়া। এই তিন ব্রাজিলিয়ানের হাতেই উঠছে খেলার প্রথম সূচনা। চতুর্থ রেফারি ও ভিএআর দলে থাকছেন কলম্বিয়া, চিলি ও ফ্রান্সের রেফারিরা।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের রেফারি নির্বাচন সব সময় গুরুত্ব পায়। ২০০৬ সালে জার্মানিতে আর্জেন্টিনার হোরাসিও এলিসনদো দায়িত্ব পেয়েছিলেন; ওই বছরই তিনি ফাইনালেও বাঁশি বাজান।
২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন উজবেকিস্তানের রাভশান ইরমাতভ।
২০১৪-তে জাপানের ইউইচি নিশিমুরা এবং ২০১৮ সালে আর্জেন্টিনার নেস্টর পিতানাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় । গত কাতার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের দায়িত্ব পেয়েছিলেন ইতালির ড্যানিয়েলে ওরসাতো ।
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবার পেল এই সম্মান। শুধু উদ্বোধন নয়, সহকারী রেফারি নিয়েও ব্রাজিলের আধিপত্য পুরো ম্যাচে স্পষ্ট থাকছে।
উইলটন সাম্পাইও ফুটবল বিশ্বের অভিজ্ঞ ও নামকরা রেফারিদের একজন। তবে পুরো ব্রাজিলিয়ান দল দিয়ে উদ্বোধনী ম্যাচের অফিসিয়েটিং দল সাজানো ফিফার অলিখিত কোনো নিয়ম নয়, এটি একটি স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত। ভিএআর দলে কলম্বিয়া, চিলি ও ফ্রান্সের রেফারিরা থাকলেও- তিন ব্রাজিলিয়ানের হাতেই থাকবে অন-ফিল্ড অফিসিয়েটিংয়ের পুরো হাল।
বিশ্বকাপ মানেই ভিন্নমাত্রার স্বপ্ন আর ঐতিহ্যের লড়াই। এবারের শুরুতে ব্রাজিলিয়ান রেফারিরা প্রমাণ করবেন- শুধু সেলেসাও দল নয়, রেফারি নিয়েও সেরাদের তালিকায় ব্রাজিলের অবস্থান। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির জন্য এটি নতুন এক গর্বের অধ্যায়।

আপনার মতামত লিখুন